রোজদিন ডেস্ক : আগে একাধিক বার ভোট দেওয়ার পরেও চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর ও ছেলের নাম ডিলিটেড ক্যাটাগরিতে। আর সেখান থেকেই শুরু দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কে। আর সেই আতঙ্কেই মৃত্যু প্রৌঢ়ের। এমনই অভিযোগ পরিবারের। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা ব্লকের ডেবরা গ্রামের ঘটনা। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। ২৮ তারিখের লিস্টে নাম ডিলেটেড দেখাচ্ছে ডেবরার বাসিন্দা কৃষ্ণ পাল (৬৫) এবং তার ছেলে দীপাঞ্জন পালের। আর তারপর থেকে আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়েন কৃষ্ণ পাল। সোমবার অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে রেফারের সময় তার মৃত্যু হয়। আর তারপরেই ক্ষোভ ফেঁটে পড়েন পরিবারের লোকজন। খবর পেয়ে বুধবার তাঁদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন ডেবরার বিধায়ক ডঃ হুমায়ুন কবীর।তিনি সমস্ত তথ্য নেওয়ার পর ডেবরার বিডিওকে বিষয়টি জানাবেন বলে জানান। ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তোলেন বিধায়ক। তার দাবি, ভোটার লিস্টে ডিলেটেড থাকার কারণেই আতঙ্কে মৃত্যু হয়েছে কৃষ্ণ পালের। এমনকি তাঁর ছেলের নামও ডিলেটেড ক্যাটাগরিতে। দুজনকেই হিয়ারিংয়ের জন্য ডেবরা ব্লক অফিসে ডাকা হয়েছিল। সমস্ত নথিপত্র জমা করেছিলেন দুজন। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। এসআইআর আতঙ্কে আরও একটা প্রাণ গেল রাজ্যে।

Be the first to comment