রোজদিন ডেস্ক : বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারিরা। কিন্তু এই আন্দোলনের কোনওরকম প্রভাব পড়ল না সরকারি ক্ষেত্রে। নবান্ন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, হাসপাতালে কর্মীদের উপস্থিতির হার ছিল অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক। তবে এদিন নিজেদের উদ্দেশ্য সফল করতে সকাল থেকে খাদ্য ভবনের সামনে দফায় দফায় সরকারি কর্মীদের কাজে যেতে বাধা দেন ধর্মঘটীরা। প্রশাসন আগেই জানিয়েছিল, শুক্রবার জরুরি সমস্যা ছাড়া কেউ অনুপস্থিত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে। এর বিরোধিতায় সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষক সংগঠনগুলির একাংশ আজ ধর্মঘটের ডাক দেয়। নবান্ন থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছিল ১৩ মার্চ সরকারি কর্মীদের কেউ ক্যাজুয়াল বা অন্য কোনও ছুটি নিতে পারবেন না। শুক্রবার সকালে দেখা গেল রাজ্যের সব সরকারি দফতরে অন্যান্য দিনের মতোই কাজ চলছে। খাদ্য ভবন থেকে বিকাশ ভবন— সর্বত্রই কর্মীদের উপস্থিতির হার স্বাভাবিক। সকলেই বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে সরকারি কর্মীদের সুযোগ, সুবিধার দিকে নজর রাখেন তা প্রশংসনীয়। মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যে-সমস্যা তৈরি হয়েছে অতি দ্রুত তার সমাধান হবে বলে আশাবাদী কর্মচারীদের একটা বড় অংশ।

Be the first to comment