রোজদিন ডেস্ক : বিজেপির সুবিধার্থে ভোটে কারচুপি করতে পারে নির্বাচন কমিশনই! সম্প্রতি কেরল ও অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে তেমনই কিছু ‘রহস্যজনক’ কারচুপির উদাহরণ তুলে ধরে ফের কমিশনের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। বঙ্গ নির্বাচনে কমিশনের ভূমিকা ও তথ্যপ্রকাশে স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করল তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। কেরলে ভোটের পরিসংখ্যান এখনও ওয়েবসাইটে প্রকাশ না হওয়া এবং অতীতের কিছু ঘটনার জেরে বাংলার নির্বাচনেও কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূলের তরফে সিইও মনোজ আগরওয়ালের হাতে ডেপুটেশন তুলে দিলেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা, অরূপ বিশ্বাস, রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক ও সুদর্শনা মুখোপাধ্যায়।
সিইও-সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডাঃ শশী পাঁজা জানান, গত ৯ এপ্রিল কেরলে বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোটের পরিসংখ্যান এখনও ওয়েবসাইটে আপলোড হয়নি! কোন কেন্দ্রে কত ভোট পড়েছে, পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের সংখ্যা এখনও প্রকাশিত হয়নি। কেরলে যা হয়েছে, বাংলায় যাতে এরকম কিছু না হয়— তার জন্য আগাম সতর্কতা হিসেবে কমিশনকে অবগত করা হয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশ নির্বাচনের চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর কথায়, অতীতের কিছু ঘটনা আমাদের আতঙ্কিত করছে। সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় ৫২ লক্ষ ভোটদানের পরিসংখ্যান রয়েছে। যার মধ্যে রাত ১১টা থেকে ২টো পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে! কিন্তু মধ্যরাত কি ভোটদানের সময়? বাংলার নির্বাচনে যাতে এইধরনের কোনও কারচুপি না হয়, তার জন্য কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ ভূমিকা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Be the first to comment