রোজদিন ডেস্ক :
ফলতা পুনর্নিবাচনের দুদিন আগে প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন টিএমসি-র দাপুটে নেতা জাহাঙ্গির খান। আজ এই ঘোষণা করেন তিনি।
রাজ্যে পালাবদলের পর ফলতায় ফের পুনর্নিবাচনের ঘোষণা হলেও আড়ালেই ছিলেন তিনি। তাঁর হয়ে টিএমসি-র কোন নেতা প্রচারে ও যাননি। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজও দিনভর ফলতায় শেষদিনের প্রচার করছেন। গতকাল বিশাল জনসভা করে সিপিএমও। সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখার্জি, শমীক লাহিড়ি প্রমুখ সেখানে বক্তব্য রাখেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য আগেও ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে জাহাঙ্গির খানকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন।
গতকাল উচ্চ আদালতে আবেদন করে নির্বাচন অবধি রক্ষা কবচ পেয়েছেন জাহাঙ্গির খান৷
আজ আচমকা তাঁর নির্বাচনী আসর থেকে সরে দাঁড়ানোর খবরে বিস্মিত রাজনৈতিক মহল।
আজ তিনি জানিয়ে দেন, ফলতার আরও উন্নয়ন হোক। সোনার ফলতা হোক। মুখ্যমন্ত্রী ফলতার জন্য বিশেষ প্যাকেজ দেওয়ার ঘোষণায় খুশি তিনি। সরে দাঁড়াচ্ছেন নির্বাচন থেকে।
তবে পুনর্নিবাচনের মাত্র দুদিন আগে তিনি সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করায় ইভিএমে তাঁর নাম থাকছে বলে নির্বাচন দফতর সূত্রে জানা যায়।
আজ সাংবাদিক বৈঠক ডেকে জাহাঙ্গির খান জানান, তিনি ফলতার ভূমিপুত্র। এই অঞ্চল শান্তিতে থাকুক, সুস্থ থাকুক তিনি চান। এতদিন মাথা উঁচু করে লড়াই এর কথা বললেও শেষ মুহুর্তে তিনি কেন এই ভাবে সরে দাঁড়ালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর নেপথ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনও বার্তা আছে কিনা তাও জানা যায়নি।
টিএমসি-র মুখপাত্র বিধায়ক কুণাল ঘোষের দাবি, ফলতায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ফলতার বহু মানুষের দাবি, বহু বছর ধরে তাঁদের ভোট দিতে দেওয়া হয় না। ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ইত্যাদি আগেই নিয়ে নেওয়া হয়। জাহাঙ্গির খান অবশ্য এই সব অভিযোগ মানেন নি। তিনি এলাকার মানুষজনদের জন্য নিবেদিত বলে দাবি করেছেন।

Be the first to comment