রোজদিন ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের বহিস্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে চলতি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত করেছেন স্পিকার। স্পিকারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আজ বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। গত কয়েকদিন ধরে চলে এই মামলার শুনানি।
মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাও স্পিকারের উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। আদালত জানতে চায়, কেন তিনি ১৯ মে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত করার প্রস্তাব পাওয়ার পর অপেক্ষা করলেন। অবশেষে ৩ জুন বিরোধী দলনেতা ও চিফ হুইপ নিযুক্ত করলেন, জবাবে বিধানসভা স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্পিকারের কাছে ১৯ মে বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত করার যে চিঠি এসেছিল তাতে বিজয়ী বিধায়কদের কবে বৈঠক হয়েছিল এবং মিটিং রেজল্যুশন হয়েছিল কিনা তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় তিনি অপেক্ষা করেছিলেন। ৩ জুন বিধানসভার বিরোধী রাজনৈতিক দলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে থেকে ৫৬ জন সশরীরে হাজির হয়ে প্রস্তাব দেন বিরোধী দলনেতা ও চিফ হুইপ নিযুক্ত করার বিষয়ে। সেই জন্য ৩ জুন স্পিকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কিন্তু স্পিকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পালটা তৃণমূল কংগ্রেসের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, ঋতব্রত এবং অন্যান্যরা কে? তারা কি পার্টির প্রেসিডেন্ট নাকি সেক্রেটারি? তারা তো বহিষ্কৃত। একজন বহিষ্কৃত কিভাবে বিরোধী দলনেতা হতে পারেন? বিরোধী দলনেতা কে, তা ঠিক করবেন? ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিদ্ধান্ত নেবেন? আদালতের প্রশ্নের মুখে গোটা ঘটনায় বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে স্পিকার। এখন দেখার বৃহস্পতিবার কী রায় শোনায় আদালত।

Be the first to comment