দু’গোলে পিছিয়ে থেকে ১৪ মিনিটে তিন গোল! রূদ্ধশ্বাস ম্যাচে ইজিপ্টকে হারিয়ে নিজেদের জাত চেনাল বিশ্বসেরা আর্জেন্টিনা

Spread the love

আর্জেন্টিনা: ৩ (রোমেরো, মেসি, এনজো)
মিশর: ২ (ইব্রাহিম, মোস্তফা)

রোজদিন ডেস্ক : ৭৯, ৮৪, ৯৩ মিনিটে পর পর তিন গোল। সব মিলিয়ে ১৪ মিনিটের টর্নেডো! আর তাতেই উড়ে গেল ইজিপ্ট। ৭৯ মিনিট পর্যন্ত ০-২ গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা রূদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতল ৩্-২ গোলে। আর সেই সঙ্গে নিজেদের জাতটাও আরও একবার ফুটবল দুনিয়াকে দেখিয়ে দিল গেল তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। চতুর্থবার বিশ্বকাপটা ছুঁতে এখনও অনেকটা পথ বাকি। কিন্তু দিয়েগো মারাদোনা৷ মারিয়ো কেম্পেসদের উত্তরসূরীরা বুঝিয়ে দিলেন এবারও বিশ্বকাপের দাবিদার তারা।

এমন সব রূদ্ধশ্বাস ম্যাচ দেখার জন্যই বোধহয় চার চারটে বছর অপেক্ষা করে থাকে ফুটবলফ্যানরা। সার্থক তাদের রাতজাগা। এই ম্যাচের বর্ণনা করা যেমন কঠিন, তেমনি ভোলাও কঠিন। কত মণিমুক্তো আজ ছড়িয়ে রইল ৯০ মিনিটে। বাঁ পায়ে মেসির সেই গোল, যা সমতায় ফেরালো আর্জেন্টাইনদের? ভোলা যায়! বিশ্বসেরাদের বিরুদ্ধে অখ্যাত ইজিপশিয়ানদের সিংহের লড়াই, যা ৭৯ মিনিট দু’গোলে এগিয়ে রাখল তাদের, যা বিশ্বসেরাদের ছিটকে দিয়েছিল প্রায়, সেটাও ইতিহাস। কিন্তু খাদের কিনারা থেকে মেসি, মার্টিনেজ ঘুরে দাঁড়ানোটা এক রূপকথা! যা আজ তৈরি করে দিয়ে গেলেন এই ফুটবলাররা। ম্যাচের পর তাই পাড়ার অলিগলিতে আর্জেন্টাইন ফ্যানেদের সেলিব্রেশন স্বাভাবিক।

অথচ ম্যাচের শুরুতে মনে হচ্ছিল মেসিই খলনায়ক হতে চলেছেন আজ। এক গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় যেভাবে পেনাল্টি স্পট থেকে ইজিপ্ট গোলকিপারের হাতে বল তুলে দিলেন, তাতে মেসি ভক্তও হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। মেসি এদিন বারবার আটকে যাচ্ছিলেন। প্রথমার্ধে মেসির পাশাপাশি একই দশা ছিল আলভারেজ, এনজোদের। একের পর অবিশ্বাস্য সেভ করেন ইজিপ্টের মোস্তফা শোবের। সেই সঙ্গে অপ্রতিরোধ্য মহম্মদ সালাহ। তখন একবারও মনে হয়নি ইজিপ্ট হারতেও পারে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে সালাহর তৈরি করা সুযোগেকে কাজে লাগিয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। ১৫ মিনিটে ইব্রাহিম, ৬৭ মিনিটে মোস্তাফা এগিয়ে দেন দলকে। এরপরই শেষ ১৪ মিনিটে সেই টর্নেডো। যা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এখনও লড়াইয়ে রেখে দিল।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*