প্রতিবেদন: সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর শেক্সপিয়ার সরণি থানা বেরিয়ে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয় একথা বলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ABHISHEK BANERJEE)। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, ওদের যা ক্ষমতা আছে করুক। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে দমিয়ে রাখবে, এটা ভাবলে ওরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছে। তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছে পুলিশ। সেই কথা উঠতেই অভিষেক পালটা চ্যালেঞ্জের সুরে বলেন, কার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে ওরা বলুক। সেদিন ওখানে কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। আমাদের কাছে সব ভিডিয়ো আছে। সেদিন পুলিশকর্মী ও অফিসাররা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টানতে টানতে নামিয়েছে সবাই দেখেছে।
বিল বোর্ড খোলা নিয়ে ঝামেলার পর ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসের অগ্নিনির্বাচন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে যায় পুলিশ ও দমকল। এই নিয়ে অভিষেক বলেন, তারাপীঠে যখন আগুনে পুড়ে মানুষের মৃত্যু হল, আলিপুরে আগুনে পুড়ে ৪০০০ ইভিএম ছারখার হয়ে গেল, তখন কোথায় ফায়ার অডিট হয়েছিল? রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ করে বলেন, শাসক কোনওদিন গণতন্ত্রের শেষ কথা বলে না। মিথ্যা মামলা দিয়ে ভেবেছে আমাদের দমিয়ে রাখবে, আমাদের ১৩ জন কর্মীকে কোনও নোটিস ছাড়াই গ্রেফতার করা হয়েছে। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসের বিল বোর্ড খোলা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তুলকালাম হয়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনাস্থলে ছিলেন মহিলা পুলিশ কর্মীরাও। ধাক্কাধাক্কিতে বেশ কয়েকজন পড়ে যান। এই ঘটনার পর পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, প্রাক্তন বিধায়ক আইপিএস হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Be the first to comment