- ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা আপাতত থমকে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুই দেশের দর-কষাকষি এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখান থেকে নতুন করে কোনও সুবিধে আদায় বা ছাড় দেওয়া উভয় পক্ষের কাছেই অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে বলে সোমবার জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।
- ঘড়িতে সকাল ৭টা বাজতেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে শুরু হল ভোটগ্রহণ। তার আগে দুই কেন্দ্রে বুথগুলিতে হয় মক-পোল। নন্দীগ্রাম কেন্দ্যামারী অঞ্চলের ২২৪ নং জীবনকৃষ্ণ প্রাইমারি স্কুল বুথে ইভিএম বিভ্রাটের অভিযোগ। ২১২ নং বুথে বাম এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। নন্দীগ্রাম ভেকুটিয়া অঞ্চলের ভীমকাটা ২৮ নং বুথে কাউকে ভোট দিতে দিচ্ছে না বিজেপি। ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ বামেদের।
- নন্দীগ্রাম বিধানসভার সরবেড়িয়া ২১২ নম্বর বুথের ইলেকশন এজেন্ট শেখ সাদ্দাম হোসেন আক্রান্ত। তিনি প্রাক্তন বিধায়ক সিপিআই ইলিয়াস মহম্মদের ছেলে। বর্তমানে আহত নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
- সকাল সকাল মন্দিরে পুজো দিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসি রানি রথ। রেয়াপাড়া শিব মন্দিরে পুজো দেওয়ার পরে কালীমন্দির এবং রাম মন্দিরে পুজো দেন তিনি। সকালে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান সোনাচূড়া গাংড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮০ নম্বর বুথে ভোট দেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী অর্পিতা প্রধানও। ভোট দিয়ে বেরিয়ে মিলন বলেন, ‘মানুষ তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। নন্দীগ্রামের মানুষ স্বাধীন ভাবে ভোট দেওয়ার চেষ্টা করবেন।’
- উপনির্বাচন চলাকালীন এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির কারণে আটক নন্দীগ্রাম-১ কংগ্রেস ব্লক সভাপতি শেখ আসাফুলতুল্লা। নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।
- সকাল থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগছেন হুমায়ুন কবীর। পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন, পারলে গ্রেফতার করুন। এমনকী, ভোটে বাধা দিতে এলে রাস্তায় মুগুড় নিয়ে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। আজুপ বিধায়কের হুঁশিয়ারির কিছুক্ষণ পরই তাঁকে আটক করল পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে পুলিশ। তাঁকে রেজিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
- সিপিএমের অভিযোগ, রেজিনগরের ১১২, ১১৩, ১১৪, ১২২ দাদপুর অঞ্চলের মরাদিঘিতে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ।
- মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে বিতর্কের মাঝেই আজ, এক্স মাধ্যমে সুব্রত গুপ্ত ও মনোজ আগরওয়ালের ছবি পোস্ট করে বার্তা দেন মহুয়া মৈত্র। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এরাই বাংলার এসআইআরের সবথেকে বড় কারিগর। সব ধরনের অবৈধ কাজ করেছেন এরা। এরা কেউ বাঁচতে পারবে না।’
- মহুয়ার পোস্ট দেখেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। ‘ভিত্তিহীন অভিযোগ’ বলে দাবি করে মনোজ আগরওয়াল বলেন, “এনাফ ইজ এনাফ। লিগাল টিমের সঙ্গে কথা বলে ডিফেমেশন কেস (মানহানির মামলা) করা হবে। সিইও কখনই কোনও নাম যুক্ত করতে বা বাদ দিতে পারে না।” তিনি আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, যে সব নাম বাদ গিয়েছিল, তা মূলত মৃত, স্থানান্তরিত, ভুয়ো, অনুপস্থিত বা ভুয়ো ভোটারদের নাম। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট জুডিশিয়াল অফিসারদের দায়িত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেছেন মনোজ আগরওয়াল।
- এক্স হ্যান্ডলে রাহুল গান্ধীর পোস্টকে তুলে ধরে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই পোস্টে করা দাবিটি বিভ্রান্তিকর। তারপরই কমিশন জানায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুন বিহারে SIR-এর নির্দেশ নির্বাচন কমিশন সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন করে জারি করেছিল। ২০২৬ সালের ২৭ মে দেওয়া রায়ে সুপ্রিম কোর্টও এই নির্দেশ বহাল রেখেছে।

Be the first to comment