শুভেন্দুর ঘরে ভাঙন! পদ্ম ছেড়ে জোড়াফুল শিবিরে তাপসী মণ্ডল

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক , কলকাতা:- শুভেন্দুর ঘরে ভাঙন। ফের বঙ্গ বিজেপিতে ধাক্কা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল বিজেপি ছেড়ে সোমবার তৃণমূল ভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে জোড়া ফুল শিবিরে যোগ দিলেন। তবে এবারই প্রথম দলবদল করলেন এমনটা নয়। এর আগে ২০২০ সালে তিনি সিপিএম ছেড়ে এসেছিলেন বিজেপিতে। এবার ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে সেই তাপসী চলে গেলেন তৃণমূলে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পূর্ব মেদিনীপুরে অধিকারীদের সঙ্গে বিজেপির একাংশের বনিবনা হচ্ছিল। আর সেই সুযোগটা কাজে লাগাল তৃণমূল।
তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরে তাপসী মণ্ডল সংবাদমাধ্যমে বলেন, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের কাজ করাটাই আমাদের কাজ। বিভাজনের রাজনীতি আমার পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছিল। বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ করার পরেও কোনও সুরাহা হয়নি। বাংলার মাটিতে বিভাজনের রাজনীতি চলছে। প্রগতিশীল বাংলাকে রক্ষা করতে, বিশেষ করে আমার হলদিয়া, শিল্প পরিকাঠামো, বেকার যুবক যুবতীদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্য দাঁড়িয়ে তাদের জন্য যাতে কাজ করতে পারি মাননীয় মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হলাম, তাঁর নির্দেশে কাজ করতে পারব। সামগ্রিকভাবে এই বিভাজনের রাজনীতি বন্ধ করে, প্রগতিশীল রাজনীতির প্রেক্ষাপটের রাজনীতি সমস্ত স্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটা সুন্দর বাংলা তৈরি করব। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে এই আশা রাখি। তিনি আরও বলেন, আমি দেখলাম লোকসভার জায়গায় দাঁড়িয়ে ঐক্যটা ভেঙে দিয়ে বিভাজন তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে চলার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। আগেও যখন শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ছিলাম তখনও কোনও কাজের সুযোগ পেতাম না। বিজেপিতে গিয়েও কোনও কাজের মধ্যে যুক্ত হতে পারিনি। শিক্ষিত বেকার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এরপর তিনি আরও বলেন, অভিজিৎ গাঙ্গুলিকে প্রার্থী করেছিলেন শুভেন্দুবাবু। তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে ওনাকে বাইরে থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাইরে থেকে গিয়ে এলাকার কর্মীদের সঙ্গে, বিধায়কের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়া স্বাভাবিক পরিবেশ নয়। তাকে সামনে রেখে, তার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হচ্ছে। এটাই বাস্তব।
অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের বিজেপি নেতা শ্যামল মাইতিও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমরা বিজেপির মধ্যে একটা গোটা বাংলার যা ঐতিহ্য গোটা দেশের যা ঐতিহ্য বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য সেই ঐতিহ্য বাংলা বহন করে। বিজেপিতে লক্ষ্য করছি বাংলায় হিংস্র রাজনীতি করা হচ্ছে। বিরোধী দলনেতা একটা হিংস্রতা করার চেষ্টা করছেন। তিনি চাইছেন একটা দাঙ্গা বেঁধে যাক। আমি বলেছি, বিধায়িকা বলেছি, কিন্তু শোনা হয়নি। বাংলায় শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে দিদির নেতৃত্বে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে, সবে মিলি করি কাজ সেকারণে এখানে এসেছি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*