রোজদিন ডেস্ক :
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আজ বিহারে দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গতকাল দিল্লির ভয়ংকর বিস্ফোরণের প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। আজ ১২২ আসনে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। ১৩০২ জন প্রার্থী আজ প্রতিদ্বন্দ্বিতার আসরে আছেন। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের মন্ত্রিসভার ছয় জনের বেশি মন্ত্রীও এর মধ্যে আছেন। ভোটদাতার সংখ্যা তিন কোটি সত্তর লক্ষ। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চার লক্ষর বেশি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সতর্ক আছে বম্ব স্কোয়াড, আধা সেনা বাহিনীও।পদস্থ আধিকারিকরা ব্যক্তিগতভাবে সব তদারকি করছেন।
আজ বিহারের উত্তর ও পূর্বের জেলাগুলিতে ভোট নেওয়া হচ্ছে। নেপাল সীমান্তের পশ্চিম ও পূর্ব চম্পারন, সীতামারি, মধুবনি, সুপৌল, আরারিয়া ও কিষাণগঞ্জ এর মধ্যে আছে। নেপাল সীমান্তও বন্ধ রাখা হয়েছে। আজকের নির্বাচনে সীমাঞ্চলের দিকেও নজর সব পক্ষেরই। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই এলাকার ভোটের ওপর ও বিহারের ফলাফল অনেকটাই নির্ভর করে।
আজ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে আছেন জেডিইউ-র বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব, বিজেপির প্রেম কুমার, রেনু দেবী, লেসি সিং, শীলা মন্ডল, নীরজ কুমার সিং, জামা খান প্রমুখ। প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির তারকিশোর প্রসাদ ও আজকের অন্যতম ওজনদার প্রার্থী।
বিরোধী জোটের গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে আছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রাজেশ কুমার, মেহবুব আলম, শাকিল আহমেদ প্রমুখ।
আজ ৪৫ হাজার ৩৯৯টি ভোট গ্রহণকেন্দ্রের মধ্যে ৪০ হাজার ০৭৩টিই গ্রামীণ এলাকায়। ৩ কোটি ৭০ লক্ষ ভোটদাতার মধ্যে ১, কোটি ৭৫ লক্ষই মহিলা, যাঁরা এই নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেন।
গত ৬ নভেম্বর প্রথম দফার নির্বাচনে ভোটের হার ৬৫% র বেশি ছিল, যা এই রাজ্যের ক্ষেত্রে রেকর্ড বলা চলে। আজ ভোটের হার কত হয়, রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সেই দিকে।
শাসক এনডিএ ও বিরোধী মহাগটবন্ধন, উভয়েরই দাবি, তাঁদের পক্ষেই ভোট বেশি পড়েছে।
সব পক্ষই এখন ১৪ নভেম্বরের ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন।এবার উৎসবের মেজাজে বিহারে ভোট হয়েছে। আজ ও সেই মেজাজে ই সবাই এই গণতন্ত্রের উৎসবে অংশ নিন, এমনটাই আশা করছে নির্বাচন কমিশনও।

Be the first to comment