রোজদিন ডেস্ক :
মুখ্যমন্ত্রীর প্রত্যাশামতই ফলতা উপনির্বাচনে লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা। তিনি তাঁর নিকটতম সিপিএম প্রার্থী শম্ভু নাথ কুর্মি কে ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন৷ এই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা তৃতীয় ও তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান চতুর্থ স্থানে আছেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজ মাধ্যমে এই ফলাফল কে, তৃণমূলের হার -বার মডেল বলে কটাক্ষ করেন। নাম না করে অভিষেক ব্যানার্জিকে বিঁধে বলেন, প্যারাসুটে নেমে সেনাপতি আখ্যা পাওয়া এক জালিয়াত, এমন কোন অপরাধ নেই করেনি। নিজের অপরাধ সিন্ডিকেটকে প্রতিষ্ঠিত করতে গণতন্ত্রের কন্ঠরোধ করতেও কসুর করেনি এই বাঘের ছাল পড়া বিড়াল!
গত ২৯ এপ্রিল ফলতা কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়মের জেরে নির্বাচন কমিশন পুননির্বাচনের নির্দেশ দেয়। গত ২১ মে ভোটের দিন ই বোঝা গেছিল ফলাফল কোন দিকে যাবে৷ দীর্ঘ দিন ভোট দিতে না পারা মানুষ গত ২১ মে ব্যাপক হারে ভোট দেন।
আজ তার ফলাফলে বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে হোল ২০৮।
গত শনিবার ফলতায় দেবাংশু পান্ডার হয়ে প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে তীব্র আক্রমণ করেন৷ গত ১৯ মে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বলে ঘোষণা করেন তৃণমূল প্রার্থী। আজ দেখা যায় তিনি ৭৭৮৩ টি ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে আছেন। সিপিএমের শম্ভু নাথ কুর্মি ৪০,৬৪৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় ও কংগ্রেসের আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা ১০,০৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান পেয়েছেন।
এবার ভোটের হার ছিল ৮৮.৭৮%। বিজেপির জয়ী প্রার্থী ৭১.২০%, সিপিএম ১৯.৩৪%, কংগ্রেস ৪.৮০% ও তৃণমূল ৩.৭০ % ভোট পেয়েছেন।
আজ সকাল থেকেই ফলতা জুড়ে ছিল উৎসবের মেজাজ। বিজেপির কর্মী সমর্থক রা গেরুয়া আবীর, মিষ্টি বিতরণ করেন। জয় ঘোষণার পর ঢাক, ঢোল, কাঁসর ইত্যাদির শব্দে রীতিমত অকাল উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়।

Be the first to comment