রোজদিন ডেস্ক : এসআইআরের কাজের চাপ। সেই চাপ নিতে না পেরে ফের আত্মহননের চেষ্টা করলেন আর এক বিএলও। শ্রীরামপুরে লঞ্চ থেকে মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। ফেরিঘাটের কর্মীরা দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে আসে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সর্বশেষ খবর, আপাতত তিনি তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। শনিবার বেলার দিকের ঘটনা। ওই বিএলও-র নাম মহম্মদ কায়ামুদ্দিন। তিনি
কাঁচড়াপাড়ার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ঘটনার পর তিনি স্বীকার করেছেন, এসআইআর-এর কাজের চাপ সামলাতে পারছিলেন না। একই সঙ্গে তিনি ডিজিটাল সিস্টেমে খুব একটা সড়গড় নন। তাই তাঁর খুবই সমস্যা হচ্ছিল বলেই জানান কায়ামুদ্দিন। শনিবার হুগলির শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবোঝাই একটি লঞ্চ উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর ফেরিঘাটে যাচ্ছিল। বেলা সারে ১১টা নাগাদ লঞ্চের এক যাত্রী আচমকাই মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দেন। লঞ্চে থাকা কর্মীরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করেন। তখনই জানা যায়, কায়ামুদ্দিন বিএলও-র কাজে যুক্ত ছিলেন। কায়ামুদ্দিনের দাবি, তিনি চাপ নিতে পারছিলেন না। নথি ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে তাঁর সমস্যা হচ্ছে। তিনি আধিকারিকদের বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। তাঁর সমস্যা মেটেনি। এই চাপ থেকে মুক্তি পেতেই চরম পন্থা বেছে নেন।

Be the first to comment