রোজদিন ডেস্ক : বিএলওদের স্থানীয় থানা নিরাপত্তা দেবে। আগামীকাল থেকে সরকারি ভাবে এসআইআরের কাজ শুরু হচ্ছে। বিএলও -রা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাবেন। এসআইআর নিয়ে রাজ্যে যেভাবে রাজনৈতিক বাতাবরণ উত্তপ্ত হচ্ছে, এতে তাঁরা চিন্তিত। তাঁদের নিরাপত্তা চেয়ে নির্বাচন কমিশন কে চিঠি ও দিয়েছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী।
আজ আলিপুরে ই আর ও র সঙ্গে বৈঠকে বিএলওদের মূল দাবিই ছিল নিরাপত্তা। সূত্রের খবর, বিএলওদের স্থানীয় থানা নিরাপত্তা দেবে। এই বিষয়ে থানাগুলির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কথা ও হয়েছে। বিএলওদের স্থানীয় থানার নম্বর দেওয়া হবে।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী অবশ্য এই আশ্বাসে খুশি নন। তিনি পরিস্কার জানান, স্থানীয় স্তরে এই প্রতিশ্রুতির কোন দাম নেই। তাঁরা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন। কমিশনকে লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ও বাস্তবে তা নিশ্চিত করতে হবে। না হলে এই সব কথার কোন মূল্য নেই।
অন্য সূত্রে প্রকাশ, আজ আলিপুরে বিএলওদের সঙ্গেই আরও তমোঘ্ন ঘোষ সহ নির্বাচন দফতরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বিএলও রা তাঁদের নিরাপত্তা, এসআইআরের কাজে অন ডিউটি থাকা ও এক হাজারের বেশি ভোটারের বুথে সহকারী বিএলও দেওয়ার দাবি জানান।
প্রসঙ্গত, বিএলওদের সিংহ ভাগই শিক্ষক, বিদ্যালয়ের কাজ সামলে কিভাবে তাঁরা এই কাজ করবেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। শুধু এস আই আরের কাজে গেলে অন ডিউটি দেখানোর দাবি করেন। এই বিষয়ে নির্বাচন দফতর রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলবে বলে তাঁদের জানান।
তবে এক হাজারের বেশি ভোটার থাকা বুথে সহকারী বিএলও দেওয়া নিয়ে নির্বাচন দফতর কিছু বলেনি।
আগামীকাল বিএলওদের সঙ্গে বিএলওদেরও যাওয়ার কথা। যা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি চিন্তিত। বিশেষত, গ্রাম বাংলায় শাসক দলের দাপটে তাঁদের প্রতিনিধিরা যেতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে উদবিগ্ন তাঁরা।
নির্বাচন দফতর আশ্বাস দিলেও স্থানীয় থানা কতটা সহযোগিতা করবে তা নিয়েও সংশয় আছে তাঁদের। থানা গুলির পর্যাপ্ত পুলিশ আছে কিনা সেই বিষয় ও কমিশনের দেখা দরকার বলে তাঁরা মনে করেন।
যেভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রের শাসক এসআইআর নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে, তা নিয়ে বিএলও মহলও চিন্তিত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দিলে ভাল হয় বলে মনে করেন।

Be the first to comment