সাপ পুষে এটা আশা করবেন না সাপ প্রতিবেশীকেই কামড়াবে, মুক্ত হলে যাকে পাবে তাকেই কামড়াবে’, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ অভিষেকের

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- আপনার উঠোনে সাপ পুষে এটা আশা করা ঠিক নয় যে সাপ শুধু প্রতিবেশীকেই কামড়াবে, এটা একেবারেই ভুল ধারণা। একবার সাপটা যদি মুক্ত হয়ে যায়, সে যাকে পাবে তাকেই কামড় দেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে গিয়ে এরকমই কড়া ভাষায় পাকিস্তানকে আক্রমণ করলেন অভিষেক।
ভারতের সন্ত্রাস বিরোধী পদক্ষেপ এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে রয়েছে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল। জাপান ঘুরে তাঁরা পৌঁছান সিওলে। সেখানকার প্রতিনিধিদের কাছে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলা নিয়ে বৈঠকও সারেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের সলমন খুরশিদরা।
এদিন তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘পাকিস্তান তাদের নিজেদের ভূমিতে সন্ত্রাসীদের লালন-পালন, আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে।’ ভারতের এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে অভিষেক জানান, ‘এটি ছিল অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট আমরা কোনো পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিকের প্রাণহানি ছাড়াই ওদের ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটি ধ্বংস করেছিলাম। এটাই ভারত – দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, কিন্তু ন্যায়নিষ্ঠ।’
২২শে এপ্রিল পাহালগামের সন্ত্রাসী হামলা এখন শুধু ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় নয়, এটি এখন একটি বৈশ্বিক অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বারবার আমরা বলেছি, ‘পাকিস্তান কীভাবে তাদের নিজ ভূমিতে সন্ত্রাসীদের লালন-পালন, আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে’। অভিষেক জানান, ”পাকিস্তানকে যে কোনো সমর্থন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমর্থন করার সামিল”।
জঙৃগিদের শেষকৃত্যে পাক সেনাদের দেখা যাওয়ার প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, পহলগাঁওয়ে প্রত্যাঘাতে ভারত বিমান হামলা চালিয়ে ১০০ এর বেশি সন্ত্রাসবাদী খতম করে। পরে দেখা যায়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ জেনারেল ও অফিসাররা সেই সন্ত্রাসবাদীদের শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন।
পাকিস্তান ৯/১১, ২৬/১১ থেকে উরি, পহলগাঁও পর্যন্ত একের পর এক সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত। কুখ্যাত জঙ্গি ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাওয়া গিয়েছিল।
এই বৈঠকে এদিন আরও একবার কবিগুরকে স্মরণ করেন অভিষেক। কোরিয়ানদের সঙ্গে যোগাযোগের কথা উল্লেখ করার সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘দ্য ল্যাম্প অফ দ্য ইস্ট’ কবিতার উল্লেখ করেন তিনি।
গতকাল সিওলে প্রাক্তন উপমন্ত্রী সহ শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় দু’দেশের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে বিশ্বকবির কথা তুলে ধরেন অভিষেক।
পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, ‘সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়া অটল প্রতিশ্রুতিতে ঐক্যবদ্ধ। আমরা কোরিয়ার কিছু শীর্ষস্থানীয় কৌশলগত চিন্তাবিদদের সঙ্গেও আলোচনা করেছি।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*