রোজদিন ডেস্ক :
মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধান! গত অক্টোবর মাসে বিহার বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণা করেছিলেন তিনি। ছিলেন রীতিমত খোশ মেজাজে। আজ পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা করতে আসা সিইসি জ্ঞানেশ কুমার কি কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে ছিলেন? এমন প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে বিভিন্ন মহলে।
দেশে এই প্রথম তাঁকে অপসারণের দাবিতে নজিরবিহীনভাবে সংসদে নোটিশ পেশ করেছেন বিরোধী পক্ষ। এমনকি প্রয়োজনীয় সংখ্যার বেশি সাংসদ এই নোটিশে স্বাক্ষর করায় তা অন্য মাত্রা পেয়েছে।
এই প্রেক্ষিতে আজ সিইসি জ্ঞানেশ কুমার কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরি সহ চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনী নির্ঘন্ট ঘোষণা করেন। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে তাঁকে অপসারণের দাবিতে সংসদে বিরোধীদের নোটিশ পেশ নিয়ে প্রশ্নও করা হয়। যদিও তিনি এর উত্তর না দিয়ে কার্যত এড়িয়ে যান।
বিরোধীরা তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাত ও বৈষম্যমুলক আচরণের অভিযোগ এনেছেন।
এর আগে একাধিক বিধানসভা নির্বাচনে কমিশনের বিরুদ্ধে সরাসরি ভোট চুরির অভিযোগ তুলে দেশব্যাপী তোলপাড় তুলেছিলেন লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী। এবার তাঁকে অপসারণের দাবিতে টিএমসি উদ্যোগ নিলে কংগ্রেস সহ সব বিরোধীরাই এতে সমর্থন জানান।
সংসদে এই প্রস্তাব নিয়ে কবে আলোচনা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে নজিরবিহীনভাবে এই প্রস্তাব আসায় কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে কেন্দ্রের শাসক শিবিরও, এমন মনে করেন অভিজ্ঞ মহল।
আজ সাংবাদিক বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমার নিজেও এই প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন। যা তাৎপর্যপুর্ন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

Be the first to comment