রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার ঠিক আগে কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণাকে তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে মনে করেন কর্মী সংগঠনগুলি। এই খবর মেলার পর সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ, বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রমুখ সংগঠনের নেতারা পৃথকভাবে জানান, বকেয়া ডিএ-র দাবিতে তাঁদের দীর্ঘ আন্দোলনই সরকারকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।
এই দাবিতে গত ১৩ মার্চ সরকারের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে ধর্মঘট ও করেছিলেন বিরোধী কর্মী সংগঠনগুলি।
পেশাজীবি যৌথ সংগ্রাম কমিটির (যাঁরা ধর্মঘটে অংশ নিতে পারেন না) পক্ষে ডাঃ মানস গুমটা ও সৌম্য ব্যানার্জি একে সমর্থন করেছিলেন। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী, বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হাণ্ডা প্রমুখ পৃথকভাবে এই ধর্মঘটের সক্রিয় সমর্থন করেন।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ বলেন, তাঁদের আন্দোলন চলবে। অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ, শুন্যপদ পূরণ ইত্যাদি দাবি করেন তিনি।
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের নেতা কিংকর অধিকারী একে মুখ্যমন্ত্রীর বিলম্বিত বোধোদয় বলে জানান। কোটি কোটি টাকা খরচ করে কর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারের যুদ্ধ ঘোষণার ফল ভাল হয় না বলেন। তিনি শীর্ষ আদালতে এমএ ফাইল ও
রিভিউ পিটিশান তুলে কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের দাবি করেন।
বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতা আনন্দ হান্ডা মনে করেন, কর্মীদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল এই ঘোষণা।
তবে নির্বাচন ঘোষণার ঠিক আগে সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর এই বকেয়া ডিএ-র ঘোষণা নিয়ে এখনও অনেক কর্মী সংশয়ে আছেন। সরকারি ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি হলে বিষয়টি পরিস্কার হবে বলে তাঁরা মনে করেন। তবে সামগ্রিকভাবে এতে খুশি তাঁরা, মনে করেন দীর্ঘ আন্দোলনের জয়ের ফসল মিলেছে।

Be the first to comment