রোজদিন ডেস্ক : ৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। এবার মেলার অন্যতম আকর্ষণ রাতের আকাশে ৪০০ থেকে ৫০০ ড্রোনের মাধ্যমে কপিল মুনির কাহিনি। যা গঙ্গাসাগরের ইতিহাসে এই প্রথম। তাই অনুমান করা হচ্ছে এবারের মেলায় ভিড় হবে অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি। সেই কারণেই মেলা শুরুর আগে গোটা এলাকা খতিয়ে দেখলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া ও বেচারাম মান্না। মেলা চত্বর খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রশাসনিক বৈঠকও করেন তারা। গঙ্গাসাগর মেলা এবার একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি এবং সনাতন ঐতিহ্যের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধন হতে চলেছে। জেলা প্রশাসন পুণ্যার্থীদের আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতাকে স্মরণীয় করে রাখতে এক নজিরবিহীন ‘হাই-টেক’ উদ্যোগ নিয়েছে। প্রযুক্তির সঙ্গে এবার ঐতিহ্যকেও নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। বিগত বছরগুলিতে বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের রেপ্লিকা তুলে ধরা হত মেলা চত্বরে। তার সঙ্গে এবার যুক্ত হচ্ছে নতুন আকর্ষণ। ২০২৩ সালে কালীঘাট, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, তারকেশ্বর ও মালদার জহুরা কালী মন্দিরের মতো পাঁচটি মন্দিরের প্রতিরূপ তৈরি করা হয়েছিল। এবারে তার সঙ্গে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের রেপ্লিকা যুক্ত হবে। প্রশাসনের কর্তারা মনে করছেন, এই প্রতিরূপটি পুণ্যার্থীদের বিশেষ নজর কাড়বে এবং একই স্থানে বাংলার বিভিন্ন দেবদেবীকে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ করে দেবে। মেলার মূল আকর্ষণ হিসেবে কপিল মুনির মন্দিরের পাশে রাতের আকাশে প্রায় পাঁচ মিনিটের একটি জমকালো ড্রোন শোয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ ড্রোনের এই অত্যাধুনিক প্রদর্শনীতে কপিল মুনির মন্দিরের প্রতিষ্ঠা, সগর রাজার কাহিনি এবং গঙ্গার মর্ত্যে আগমনের মতো পৌরাণিক উপাখ্যানগুলি আলো ও শব্দের মাধ্যমে জীবন্ত হয়ে উঠবে। সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা জানান, গত বছর কুম্ভ মেলা থাকা সত্ত্বেও এক কোটি ১০ লক্ষ পুণ্যার্থী এসেছিলেন। এবার তা আরও বাড়বে।

Be the first to comment