রোজদিন ডেস্ক : পালাবদলের পর গত সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি ঠিকানা কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিস যায় কলকাতা পুরসভার। বাড়তি নির্মাণের জন্য কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? সেটা জানতে চেয়ে তাঁকে নোটিস ধরায় তৃণমূল পরিচালিত পুরসভা। তাঁর বাসভবন শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙারও নির্দেশ দেয় কলকাতা পুরসভা। শুক্রবার কালীঘাটে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরতেই তাঁর বাড়ির অবৈধ নির্মাণ নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। সেখানেই রীতিমতো আঙুল তুলে ধমকের সুরে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন বাড়ির কোন অংশটা অবৈধ। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, উত্তর দেব। পরিবর্তনের পর নবান্ন হাতছাড়া হয়ে এখন ছোট লালবাড়ি বাঁচাতে মরিয়া তৃণমূল। কলকাতা পুরসভায় ভাঙনের আগাম আঁচ পেতেই কাউন্সিলরদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীর নির্দেশ মতো শুক্রবার বিকেল চারটেয় কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলররা পৌঁছে যান কালীঘাটে। সেই বৈঠকেও বাড়ি ভাঙার প্রসঙ্গ উঠে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এভাবে বিনা নোটিসে বাড়ি ভাঙা যায় না। তার নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি আছে। পুরসভারও নিয়ম আছে। হিয়ারিং করতে হয়। নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে অভিযুক্তদের বক্তব্য শুনতে হয়। আইনি পরামর্শ নিতে হয়। নোটিস না দিয়ে বুলডোজার দিয়ে বাড়ি ভাঙতে চলে এলাম, এমন জিনিস কোথাও হয় না। এখানে গা-জোয়ারি চলছে।

Be the first to comment