প্রধানমন্ত্রী সমীপে মুখ্যমন্ত্রী, বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি উপহার দিলেন

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ বিকেলে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন। গত ৯ মে কলকাতায়  তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে  প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর এই প্রথম দিল্লি যাত্রা। হিন্দিতে  “বন্দে মাতরম” লেখা  ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি  দৃষ্টি নন্দন প্রতিকৃতি তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন।

মোদিজির সঙ্গে সাক্ষাত করার সুযোগ পেয়ে তিনি অভিভূত, গর্বিত বলে জানান। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর এই প্রথম সরকারি বৈঠকে  রীতিমত আপ্লুত তিনি।

রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির জন্য ওঁকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান মুখ্যমন্ত্রী।  সমাজ মাধ্যমে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ” এর দর্শনকে সামনে রেখে  এই রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কেন্দ্রর অন্যতম অগ্রাধিকার বলে মোদিজি তাঁকে জানান।

পশ্চিম বঙ্গের আর্থিক উন্নয়ন, শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রাজ্যকে অগ্রগতির পথে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।

মুখ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, কেন্দ্রের সহযোগিতা ও রাজ্যের মানুষের  আস্থা ও সমর্থনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা রাজ্যে স্বচ্ছ প্রশাসন, সুশাসন, সামগ্রিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও আগামীদিনে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তাঁর প্রথম দিল্লি সফরে সকাল থেকে ঠাসা কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর।

সাংবাদিক দের তিনি জানান, শুধু ভাষণ দিলে হবে না, কাজ করতে হবে সাধারণ মানুষের জন্য।  আগের সরকার জনগণনা, বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তর কিছুই করেনি। তাঁরা প্রথমেই এই কাজগুলি করতেন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, জল জীবন মিশন প্রকল্পে আগামী এক বছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকা পাবে রাজ্য সরকার। আগামীকাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে আয়ুষ্মান প্রকল্প নিয়ে চুক্তি করা হবে। রাজ্যের সীমান্ত রক্ষা, অনুপ্রবেশ সমস্যা মেটাতেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিলিগুড়ির চিকেনস নেক নিয়ে ও কেন্দ্র -রাজ্য যৌথ সহযোগিতায় পরিবর্তন শুরু হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।
মুখ্যমন্ত্রী আজও কঠোরভাবে জানান, অনুপ্রবেশ প্রশ্নে “ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট”-এর বাইরে কোন শব্দ নেই, তাঁরা ওঁদের জামাই আদর করবেন না।
দিল্লিতে আজ বঙ্গ ভবনের কর্মীরা সহ অন্যরা তাঁকে সাদর স্বাগত জানান।
তৃণমূলের বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। উভয়ের মধ্যে সৌজন্য বিনিময় হয়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*