রোজদিন ডেস্ক :
আসন্ন নির্বাচনে সরকারি কর্মীদের ভোটদানে বাধা, চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জায়গায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যে যে ভোটকর্মীরা প্রশিক্ষণ ইত্যাদি কাজে গেছেন, তাঁদের খাবার ইত্যাদি নিয়েও চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ উঠেছে।
আবেদন করা সত্বেও মিলছে না পোস্টাল ব্যালট। এই সব নিয়ে ক্ষোভ ছড়াচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। নির্বাচন কমিশন, রাজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ভোট কর্মীরা। মুর্শিদাবাদ লালবাগ সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত গার্লস হাই স্কুলে ২২টি বিধানসভার জন্য মাত্র একটি ভোটদান কক্ষ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বহরমপুরের শিক্ষক তন্ময় ঘোষ এই নিয়ে সরব হন এবং নির্বাচন কমিশনে ই-মেল করে অভিযোগ দায়ের করেন।
বিভিন্ন জায়গায় ভোটকর্মীরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে গিয়ে প্রচন্ড অব্যবস্থা র সম্মুখীন হচ্ছেন বলে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের অভিযোগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে চিঠি দিয়েছেন। তিনি বলেন, চূড়ান্ত অব্যবস্থার জন্য অনেকেই ভোট দিতে পারছেন না। ভোটার অনুযায়ী ভোট দানের ব্যবস্থা অত্যন্ত অপ্রতুল। এমনকি আগে আবেদন করেও অনেকের নামে পোস্টাল ব্যালট দেওয়াই হয়নি। বাধ্য হয়েই তাঁরা ভোট না দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। তাঁরা এই অব্যবস্থার জন্য তাঁরা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন কে দায়ী করেন।
তাঁদেরকে এই দায় স্বীকার করতে হবে বলে কিংকর অধিকারী জানান। কর্মীরা যাতে ভোট দানের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করার দাবিতে তিনি সিইও-র কাছে দাবি করেন।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের লাল গে ভোট কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের আরও অভিযোগ, যে ব্যবস্থা হয়েছে, এতে যাঁরা বাড়ি থেকে ৭০/৮০ কিমি দূরে প্রশিক্ষণ নিতে আসেন, তাঁরা অনেকেই এতক্ষণ ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে পারবেন না। পরিকল্পিত ভাবেই ভোট কর্মীদের ভোট দিতে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। লালবাগ সহ মুর্শিদাবাদের সব কেন্দ্রেই এই অব্যবস্থা বলে তাঁদের অভিযোগ।

Be the first to comment