রোজদিন ডেস্ক :
আগামী সোমবার থেকে রাজ্যে গুন্ডা দমন আইন চালু হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আজ মুর্শিদাবাদে জানান। মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর এই প্রথম মুর্শিদাবাদ সফর নিয়ে দলীয় কর্মীদের আনন্দ, উৎসাহ লক্ষ্যণীয় ছিল। এখানে প্রশাসনিক বৈঠকও করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দেন, ট্রেন, বাস জ্বালানো, পুলিশকে আক্রমণ, নারী সুরক্ষা, পাচার রোধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রাক্তন সরকারের আমলে হওয়া সামশেরগঞ্জ, ধূলিয়ানের কথা এখন অতীত। এখন দ্রুত তদন্ত, বিচার হবে।
ওখানে গিয়ে নাম না করে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে কিছু ভাষণবাজি হয়েছে, কিন্তু কোন বড় ঘটনা হয়নি, কোথাও পুলিশ বা প্রশাসন খারাপ কাজ করলে তাঁকে জানাতে বলেন।
এই জেলা থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহু দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে, এই সব নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান৷ এই সব কাজে বিডিও, বিএমওএইচ অন্যায় করলে তাঁদেরও শাস্তি দেওয়া হবে।
সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদ, মালদায় ভাঙন রোধে রাজ্য সরকার ৩৬০০ কোটি টাকার সহায়তার কথা বলেছে। অনুপ্রবেশ বন্ধে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সমন্বয়ে জোর দেন।
আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী আজ সড়ক পথে মুর্শিদাবাদ যান। পথে তাঁকে বহু জায়গায় স্বাগত জানানো হয়।
মুর্শিদাবাদের প্রশাসনিক বৈঠকে আজ বিরোধী জন প্রতিনিধিরা কাউকে দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী জানান,মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বৈঠকে ছিলেন। যেদিন ডাকবেন, জেলার ২২ জন বিধায়ক, ৪ জন সাংসদকে ডাকবেন বলে জানান।
অন্যদিকে তাঁকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী র মন্তব্য নিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, ভাষণ বাজির কি আছে! গণতন্ত্রে কি কথা বলার অধিকার নেই? বিরোধী নেতা হিসাবে উনিও তো তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কে কত কিছু বলতেন! এখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বলে উনি কি সবার উর্ধ্বে উঠে গেছেন?

Be the first to comment