৫২ রানের জয় উসকে দিল ২০১১-এর স্মৃতি

Spread the love

প্রতিবেদন: মিতালি রাজ থেকে ঝুলন গোস্বামী। ক্রিকেটের বাইশ গজে অনেক মাইলস্টোন পেরিয়ে এলেও বিশ্বকাপটা অধরাই রয়ে গিয়েছিল মিতালি, ঝুলনদের। দু’দুবার ফাইনালে উঠেও স্বপ্ন ছুঁতে পারেনি। ২০২৫-এসে অবশেষে সেটা হল। ওম্যান ইন ব্লু-দের হাতে উঠল বাইশ গজের সবচেয়ে বড় শিরোপা। ৮৩-র ২৫ জুন কপিলের হাত ধরে ভারতীয় ক্রিকেটের যে জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল, ২ নভেম্বর ২০২৫-এ এসে বৃত্তটা সম্পূর্ণ করলেন হরমনপ্রীত, শেফালি, দীপ্তি রিচারা। ফাইনালে কে কত রান করল, কার ক’টা উইকেট৷ কত রানে জিতল ভারত, এসব শুকনো পরিসংখ্যান এখন মোটামুটি সবার জানা। তবে প্রায় সাড়ে সাত ঘন্টার ফাইনাল দেখিয়ে দিয়ে গেল হ্যাঁ, পারি, আমরাও পারি। পিটি উষা, কর্ণম মালেশ্বরী, মেরি কম, কোনেরু হাম্পি, সাক্ষী মালিক, পিভি সিন্ধু, দীপা কর্মকারের মত ‘দেশ কা বেটি’ রা অনেক সম্মান আনলেও দলগত ভাবে এই সাফল্য নিঃসন্দেহে শুধু মেয়েদের ক্রিকেটকে নয়, সব খেলাকে অক্সিজেন জোগাবে। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে তৈরি হল অনেক মুহূর্ত, যা অনেকদিন মনে রাখবে দেশ। হরমনপ্রীতের লিডারশিপ, আচমকা দলে ঢুকে পড়া শেফালির হার না মানা লড়াই, স্মৃতি দীপ্তি, রিচাদের শরীরি ভাষাই যেন বলে দিচ্ছিল আজ হারতে নামেনি ভারত। ক্রিকেট দুনিয়ায় ‘চোকার্স’ বলে প্রচলিত স্প্রিংবকরা। সেই ধারা অব্যাহত রেখে এদিন আরও একটা ফাইনালে ভারতের কাছে ৫২ রানে নতজানু উলভার্টরা। এই জয় মধ্যরাতে দেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনল ২০১১ ৩ এপ্রিলের স্মৃতি। সেদিন জনতার হাতে ছিল ধোনি, গম্ভীর, যুবিদের ছবি, আর রবিবাসরীয় রাতে সেটাই বদলে গেল হরমনপ্রীত, স্মৃতি মান্ধানাতে। এতদিন ছিল শুধু মেন ইন ব্লু, আজ থেকে চালু হল উইমেন ইন ব্লু। নতুন শব্দবন্ধ, নতুন রূপকথা।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*