রোজদিন ডেস্ক : মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রকাশিত হল শারদীয়া জাগো বাংলা (Jago Bangla)। রবিবার মহালয়ার পূণ্যতিথিতে দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে উৎসব সংখ্যা প্রকাশ করলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও এদিন তার কথায় ও সুরে ১৭ টি গানের একটি অ্যালবামও প্রকাশিত হয় ওই মঞ্চে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন, মন্ত্রী ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, বিধায়ক দেবাশিস কুমার, দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও এক ঝাঁক শিল্পী। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইন্দ্রনীল সেনের দ্বৈত কন্ঠে ‘জাগো দুর্গা’ গান।


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ছোট্ট ভাষণে সবাইকে পুজোর শুভেচ্ছা জানান। সিঙ্গুরে কৃষক পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানান। তিনি বলেন, আমাদের সরকার প্রতিটি ক্লাবকে পুজোর জন্য ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দিয়েছে। শুধু অনুদান দেওয়াই নয় ৮০ শতাংশ ইলেকট্রিক বিল ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে। ফায়ার ব্রিগেড ফ্রি, কর্পোরেশন ফ্রি, এভাবেই উৎসবকে আরও বৃহত্তর আঙ্গিকে নিয়ে যেতে চেয়েছি আমরা। অনুষ্ঠানে আগত শিল্পীদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা জানান। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত বসে প্রতিটি শিল্পীরও গান শোনেন।

অনুষ্ঠানে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করিয়ে দেন আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে কোন পরিস্থিতিতে সাপ্তাহিক থেকে দৈনিকে পরিণত হয়েছিল দলের মুখপাত্র জাগোবাংলা। তিনি বলেন, আগে পুজো ছিল চারদিন। কিন্তু মা, মাটি, মানুষের সরকার এই পুজোর উৎসবকে আরও বৃহত্তর ভাবে ভাবে তুলে ধরেছে। এর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান তিনি।

আরও বলেন, বাংলা ও বাঙালিকে অসম্মান করতে কেউ কেউ প্রচার করেছিল বাংলায় দুর্গাপুজো হয় না। কিন্তু ইউনেস্কোর স্বীকৃতি প্রমাণ করে দিয়েছে আসল সত্যিটা। মহালয়ার পূণ্যলগ্নে তিনি জাগোবাংলার পুরো টিম ও রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।

Be the first to comment