রোজদিন ডেস্ক : লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আনা বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাব আজ ধ্বনি ভোটে খারিজ হয়ে যায়।
বিতর্কে অংশ নিয়ে বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, সংসদে তাঁদের বলতে দেওয়া হয় না। তাঁকে বহু সময় থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংসদ কোন বিশেষ দলের না, তা সারা দেশের। এমনকি গণতান্ত্রিক বিষয় বা অধ্যক্ষর ভূমিকা নিয়ে আলোচনাতেও তাঁর নামই তোলা হয় বলে মন্তব্য করেন।
পরে বিতর্কে অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ পালটা রাহুল গান্ধীকে ঠুকে বলেন, ওঁকে বলতে দেওয়া হয় না, তা নয়, আসলে উনি বলতে চান না। এরপর পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, গত কয়েক বছরে সাংসদ হিসাবে রাহুল গান্ধী কতদিন সংসদে উপস্থিত থেকেছেন!!
তৃণমূলের তারকা সাংসদ সায়নী ঘোষ প্রস্তাব সমর্থন করে রাহুল গান্ধীর পক্ষে বক্তব্য রেখে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন।তাঁর তীক্ষ্ণ বক্তব্যর ঝাঁঝে তেতে ওঠে সভার অভ্যস্তর। সংসদকে দলীয় কার্যালয় বানাবেন না বলে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
নাম না করে আজ রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ শানান রবি শঙ্কর প্রসাদও। বলেন, একজনের (পড়ুন রাহুল গান্ধী) ইগো রক্ষার জন্যই এই অনাস্থা প্রস্তাব। কংগ্রেসের বেণুগোপাল অভিযোগ করেন, সংসদে বিরোধী মহিলা সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ফেলবেন বলে যা রটানো হয়েছিল তা অমর্যাদাকর।
বিতর্ক চলাকালীন একাধিকবার সরকার ও বিরোধীদের বাদানুবাদ হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ চাঁছাছোলা ভাষায় বিরোধীদের আক্রমণ শানান। পরে ধ্বনি ভোটে এই প্রস্তাব খারিজ হয়ে যায়।
ফাইল চিত্র

Be the first to comment