রোজদিন ডেস্ক : কেন্দ্রীয় সরকার একটার পর একটা আইন করে মতুয়া (matua) সম্প্রদায়কে গোলামে পরিণত করতে চাইছে। এতে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। মতুয়া সম্প্রদায়ের আইডিওলজি বিজেপি, আরএসএস-এর সঙ্গে মেলে না। আইনের মাধ্যম দিয়ে এরা আমাদের ধ্বংস করতে চাইছে। একটা ভয়াবহ পরিস্থিতি। এর বিরুদ্ধে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ লড়াই করছে। ২০০৩ যে কালা কানুন তৈরি করেছিল অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকার, তখন ঠাকুরবাড়িতে অনশনে বসেছিল মতুয়ারা। বড়মা বীণাপাণি দেবী ও কপিলকৃষ্ণ ঠাকুরের নেতৃত্বে। আমি এই লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।
শুক্রবার চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগর কালীতলায় অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ হুগলি শাখার ডাকে SIR ও CAA -এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভায় এই মন্তব্য করেন রাজ্যসভার সাংসদ ও ঠাকুরবাড়ির সদস্য মমতাবালা ঠাকুর। এদিন তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসআইআর প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে বলেন, আমার শ্বশুরমশাই দেশভাগের সময় থেকে উদ্বাস্তুদের নিয়ে লড়াই করেছেন। তাদের কাজকে আমি এগিয়ে নিয়ে যাব। আমার জীবন থাকতে এই লড়াই চলবে। বিভিন্ন বিধানসভায় আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ১৯ অক্টোবর বড়মার জন্ম উৎসবে রাত বারোটার পর আমরা ঘোষণা করব কলকাতার বুকে আমরা কবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামছি। প্রয়োজনে আমরা দিল্লিও যাব। শান্তনু ঠাকুরকে তীব্র আক্রমণ করে মমতাবালা বলেন, ভালো-মন্দ নিয়ে জগৎ। বংশে যদি কুলাঙ্গার জন্ম নেয়, সে সবকিছু ধংশ করে। মতুয়া ধর্মের বিভীষণ হচ্ছে ঠাকুর বাড়ির শান্তনু ঠাকুর। তাকে সাহায্যে ধ্বংসলীলা শুরু করেছে আরএসএস ও বিজেপি। তার জবাব মতুয়ারা দেবে মতুয়ারা কোনও ফর্ম ফিলাপ করবে না। জোর করে বাগদায় একজনকে করিয়েছে। বিজেপি ছলেবলে কৌশলে চেষ্টা করছে। বিল পাস করার পর তারা ভেবেছিল মানুষ ফর্ম ফিলাপ করবে কিন্তু করেনি। CAA-তে মতুয়া ধর্মের কোনও উল্লেখ নেই। তাহলে মতুয়ারা কোন পর্যায়ে পড়ে? আমরা চাই কোনও শর্ত থাকবে না। আইন পরিবর্তন করে নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দিতে হবে। আগামীতে নেপালে কি হয়েছে দেখেছেন তো? ভারতবর্ষেও ওটা হবে। মোদি, অমিত শাহ সেটা যেন জেনে রাখুন।

Be the first to comment