রোজদিন ডেস্ক :
এখানে শুধু ধোঁকা দিয়েছে টিএমসি। ধর্ষক, গুন্ডাদের রক্ষক টিএমসি। ওদের ভয় এবার হারবে। জিতবে বিজেপির ভরসা। আর জি কর, সন্দেশখালি প্রধানমন্ত্রীর কথায়। মথুরাপুরে জনসভায় উপছে পড়া ভিড়।
এই ভিড় দেখে টিএমসি-র ঘুম উড়বে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজেপির সঙ্কল্প এখানে স্বচ্ছ ভারত হবে। গঙ্গা সাগরে এখন ও সেতু হয় নি। সব জায়গায় টিএমসি-র সিন্ডিকেট। ওরা চায় না মহিলা উন্নয়ন। তাই কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে সংসদে মহিলা বিল আটকেছে।
মানুষের ভালবাসা, আশীর্বাদই আমার পুঁজি, আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী।
১৫ বছরের সরকারের এক্সপায়ারি ডেট এসেছে। ৪ মের পর এই লুঠের পুরো হিসাব হবে।
কাটমানির খেলা আর চলবে না। মথুরাপুর সমুদ্রের তীরে, অনেক সম্ভাবনা। হিম ঘর নেই। মৎস্যজীবীরা কোন সুবিধা পান না।
সমুদ্রে মৎস্যজীবীদের সমস্যা, সুরক্ষা দেবে কেন্দ্র। তাঁদের মাছ বড় শহর, দেশের বাইরেও যাবে। আর্থিক উন্নয়ন হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মদত দেয় টিএমসি। এখানকার মানুষের সুখ দুঃখ নিয়ে নির্মম সরকারের কোন হেলদোল নেই। টিএমসি এখানে প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছু দেয় নি। বিজেপির প্রধানমন্ত্রী – মুখ্যমন্ত্রী এলে বিকাশ হবে। সমস্যা মিটবে। দুর্ভাগ্য, এখানে এমন সরকার। এক সময় রাজ্য সারা দেশকে পথ দেখাতো। বাংলায় পরিবর্তনের ঝড় বইছে। টিএমসি-কে ঘুষ না দিয়ে কোন কাজ হয় না। মহা জঙ্গলরাজ এখানে।
সুরক্ষিত,সমৃদ্ধ, বিকশিত পশ্চিম বঙ্গের জন্য বিজেপি কে ভোট দেওয়ার আহবান প্রধানমন্ত্রীর।।
স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অধিকার কাড়ছে অনুপ্রবেশ কারীরা। কাদের মদতে তারা ঢুকছে? টিএমসি র মদতে।
কেন্দ্র প্রথম মৎস্য পালনের মন্ত্রক করেছে। এখানকার সমুদ্র কে অসুরক্ষিত করেছে এই টিএমসি ই।
মথুরাপুরের ভাঙা মেলা কে স্বচ্ছ ভারতের অংশ বানাবে।
এই টিএমসি সরকার কোন কাজ করে না, কেন্দ্রকে ও করতে দেয় না।
প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তাঁদের ১১ বছরের শাসনে ১২ কোটির বেশি শৌচাগার, ৫৫, কোটির বেশি মানুষের ব্যাঙ্কে জনধন অ্যাকাউন্ট করেছে, তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি হয়েছে।
২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বার করা হয়েছে। এত বড় তালিকা দিতে গেলে সন্ধ্যা হয়ে যাবে।
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হয়নি। প্রতি জেলায় মেগা ফুড পার্ক তৈরির ঘোষণা করেও তা হয়নি।
যে হারে ভোট পড়ছে, এতে বোঝাই যাচ্ছে ভয় হারছে, ভরসা জিতছে।

Be the first to comment