রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যের অনুদান পাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অফিসের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা দ্রুত মেটানোর উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের অর্থ দপ্তর অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর বা এসওপি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। দপ্তরগুলির কাছে চিঠি পাঠিয়ে নবান্ন বলেছে, ১ এপ্রিলের বৈঠকে ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ এবং ডিআর প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে নির্দিষ্ট এসওপি তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দপ্তর সেই এসওপি জমা দেয়নি। এর ফলে বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়ায় অকারণ বিলম্ব হচ্ছে। তাই অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে এসওপি পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থ দপ্তর যে দপ্তরগুলিকে এই নির্দেশ পাঠিয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর, স্কুলশিক্ষা দপ্তর, গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দপ্তর, নগরোন্নয়ন ও পুর দপ্তর, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তর, পরিবহণ দপ্তর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এই এসওপি জমা পড়লেই বকেয়া ডিএ বা ডিআর প্রদানের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে এবং ধাপে ধাপে তা মেটানো হবে। বৃহস্পতিবার হাড়োয়ার জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীদের বকেয়া ডিএ দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হবে বলেই জানিয়েছিলেন।

Be the first to comment