প্রতিবেদন: সোমবার সকাল থেকে টানা তল্লাশি। তারপর ২৪ ঘণ্টা কাটিয়ে মঙ্গলবার সকালে তৃণমূল সাংসদ নাদিমুল হকের পার্ক সার্কাস এলাকার দরগা রোডের অফিস থেকে বেরিয়ে গেলেন ইডি আধিকারিকরা। এর জন্য সোমবার নাদিমুল হককে কলকাতায় তলব করে ইডি। তার উপস্থিতিতেই চলে তল্লাশি। অবশেষে এদিন সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ তাঁর অফিস ছাড়েন তদন্তকারীরা। তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে বেনামি অ্যাকাউন্ট থেকে সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তার তদন্তেই নাদিমুল হক পরিচালিত সংবাদপত্র অফিসে হানা দেয় ইডি। সংবাদপত্রের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন লেনদেন খতিয়ে দেখেন ইডি কর্তারা। কলকাতা ছাড়া দিল্লি, রাঁচি-সহ ওই সংবাদপত্রের সাতটি ঠিকানায় তল্লাশি চলে। সূত্রের খবর, তল্লাশি শেষে পার্ক সার্কাসের অফিস থেকে বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে নাদিমুল হকের বাড়ি, অফিসে তল্লাশি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রয়া জানিয়েছেন তৃণমূলের বর এক রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেন, আমাদের চিফ হুইপ নাদিমুল হকের বাড়ি এবং অফিসে ইডির হানা আসলে বিজেপির ট্রিপল ফালতু ইঞ্জিন সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। ওদের লক্ষ্য শুধু নাদিমুল বা তৃণমূল নয়, মিডিয়াও। কারণ নাদিমুল এবং তাঁর পরিবার পূর্ব ভারতের বৃহত্তম উর্দু পত্রিকা চালায়। সবচেয়ে বড় কথা নাদিমুল একজন মুসলিম বলেই তাঁকে টার্গেট করা হচ্ছে। বিজেপির টার্গেট বাংলার মুসলমানরাই।
আশ্চর্যের বিষয়, নাদিমুল হক সোমবার রাঁচিতে ব্যস্ত ছিলেন সংসদীয় কমিটির বৈঠকে। পাটনা হয়ে রাঁচিতে গিয়েছিলেন তিনি। ঠিক তখনই দিল্লিতে তাঁর ৬১ নম্বর সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সাড়ে ৭ ঘন্টা ধরে রেইড চলে।

Be the first to comment