প্রতিবেদন: নিট-ইউজি ২০২৬-এ তথ্য বিকৃতির অভিযোগ। এই নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলায় জাল ও বিকৃত নথি জমা দেওয়ার অভিযোগে আবেদনকারীর মামলা খারিজ করে দিল আদালত। একইসঙ্গে, আবেদনকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-কে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। চলতি বছরের মে মাসে নিট-ইউজি ২০২৬-এর পরীক্ষা হয়। কিন্তু সেই পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরে গত ২১ জুন আবার পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেই ফলাফলও প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। ফল প্রকাশের পর দুই পরীক্ষার্থী রূপসা গঙ্গোপাধ্যায় ও শ্রীজা মোহান্তি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতে রূপসা নিট পরীক্ষায় তিনটি আলাদা স্কোরকার্ড পাওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। অন্যদিকে, শ্রীজা মোহান্তি দাবি করেন, তাঁকে কম নম্বর দেওয়া হয়েছে৷ শুক্রবার এনটিএ-র আইনজীবী আদালতে জানান, আবেদনকারীর দাখিল করা সমস্ত নথিই জাল ও বিকৃত। যে স্কোরকার্ড জমা দেওয়া হয়েছে, সেটি ২০২৫ সালের পরীক্ষার। আদালতে পেশ করা ওএমআর শিটও আসল নয়, বিকৃত করা হয়েছে। এনটিএর দাবি, এই ঘটনায় তারা আবেদনকারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবে এবং আগামী তিন বছর তাঁকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না। রূপসার আইনজীবী আদালতের কাছে সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেন, ‘আদালতকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে জাল নথি পেশ করার চেষ্টা হয়েছে বলে মামলাটি খারিজ করে দেন। পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এনটিএ-কে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিকে, শ্রীজা দাবি করেন, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর হওয়ার কথা ৬৫৯। কিন্তু তাঁকে দেওয়া হয় ২৮৯। তবে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার আর্জি জানান তিনি।

Be the first to comment