রোজদিন ডেস্ক : স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ। বাম আমল থেকে এই কথা শোনা গেলেও তার যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর কলকাতা-সহ জেলা শহরগুলির পাশাপাশি অন্য জেলা হাসপাতালগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার চেষ্টা হয়। তৈরি হয় অনেক সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল। রাত-বিরেতে, দায়ে-দরকারে মানুষকে আর দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসতে হয় না। যদিও এখনো পিজি-সহ কলকাতার মেডিকেল কলেজগুলিতে রোগীদের ভরসা বেশি, তাই চাপও বেশি।

এই প্রসঙ্গের অবতারণা এই কারণে যে নিউ ব্যারাকপুর পুরসভার ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এলাকাবাসীরা পেলেন উন্নত আধুনিক হাসপাতাল। আগে মাতৃসদন ছিল এখন তা আরো উন্নত ও সক্রিয়। এছাড়া নিউ ব্যারাকপুরে ডক্টর বিসি রায় মেমোরিয়াল হসপিটাল সেজে উঠেছে নতুন সাজে। শুধু নীল সাদা রঙের পোচ নয়। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিতে হয়েছে সমৃদ্ধ। এই প্রাপ্তি উদযাপনে ১৬ আগস্ট পুরসভা এসেছিলেন কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ এবং পুরসভার চেয়ারম্যান প্রবীর সাহা-সহ বহু বিশিষ্ট জন।

এলাকার বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তার তহবিল থেকে ৩০ লক্ষ টাকা হাসপাতাল উন্নয়নে দিয়েছেন। এদিনের অনুষ্ঠানে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন এই পুরো হসপিটাল যেভাবে উন্নতি করছে কলকাতার হাসপাতালকেও তা হার মানিয়ে দেয়।
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এই উন্নয়ন যজ্ঞে এলাকার মানুষের অবদানের কথা বিশেষ ভাবে বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ হাসপাতালে বার্ন ইউনিট তৈরির প্রশংসা করেন। এ ব্যাপারে পুরপ্রধান প্রবীর সাহার নীরবে ভূমিকা পালনের কথা মনে করিয়ে দেন তিনি।

প্রবীর সাহা বলেন, প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয় এই হাসপাতালকে নতুন করে সাজানো হয়েছে। এখানে ২৪ ঘণ্টা ইমারজেন্সি খোলা থাকবে। এছাড়া আইসিসিইউ, এইচ ডি ইউ, ফেকো মেশিনের সাহায্যে অল্প খরচে চোখ অপারেশন, বার্ন ইউনিট, এইচআইভি ইউনিট, এসি পুরুষ ও মহিলা কেবিন, অস্থি প্রতিস্থাপন, নিউরোসার্জারি এর ব্যবস্থা আছে। আছে ইউএসজি, ইকো কার্ডিওগ্রাফি, কালার ড্পলার, পেসমেকার প্রতিস্থাপন, উন্নতমানের স্ত্রী রোগ চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা।

Be the first to comment