প্রতিবেদন: ক্ষমতা হারানোর পর এবার আর ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে একুশে জুলাই পালন করার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। অগত্যা কোর্টে গিয়ে ক্যাথিড্রাল রোডে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। সেখানে রাস্তার একটি লেন খোলা রেখে আড়াই হাজার লোক নিয়ে দুপুর তিনটে পর্যন্ত সভা করার অনুমতি দিয়েছিল আদালত। কিন্তু অভিযোগ, আদালতের দেওয়া শর্ত মানেননি আয়োজকরা। সভা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে ভিড়ের চাপে রাস্তার দ্বিতীয় লেনটিও বাধ্য হয়ে বন্ধ করতে হয় পুলিশকে। তাছাড়া সভায় লোকও হয়েছিল বেধে দেওয়া সংখ্যার অনেক বেশি। এই অভিযোগে ওই সভার আয়োজক কালীঘাট তৃণমূলের বিরুদ্ধে এবার স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল হেস্টিংস থানা। পুলিশের অভিযোগ, ওই সভা যেভাবে হয়েছে, তাতে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের নির্দেশ লঙ্ঘন করা হয়েছে। তাই এই ঘটনায় ফের আদালতের দ্বারস্থ হল প্রশাসন। এদিকে বুধবারই সাংলবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সভার সঞ্চালক তথা তৃণমূল কংগ্রেসের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও স্বীকার করে নেন যে ওই সভায় দেড় থেকে দু’লক্ষ লোকের সমাবেশ হয়েছিল। অবশ্য তার সাফাই, আমরা আদালতের নির্দেশ মেনেই সভা করেছি, কিন্তু মানুষ আসলে আমরা কীইবা করতে পারে। সবটাই একুশে জুলাই নিয়ে মানুষের আবেগের বহিঃপ্রকাশ বলে বর্ণনা করেন তিনি।

Be the first to comment