রোজদিন ডেস্ক : বুধবার ছিল তৃতীয়া। দুপুর থেকে শহরে ঘুরে ঘুরে প্রায় ৪০টির কাছাকাছি পুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে একটি নবনির্মিত দমকল কেন্দ্রেরও উদ্বোধন করেন তিনি। দিনের শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই অনন্য অভিজ্ঞতা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তিনি। মায়ের কাছে করলেন সকলের মঙ্গল প্রার্থনা। তিনি লিখলেন—-
‘জগত জুড়ে উদার সুরে আনন্দগান বাজে’
বাংলার সংস্কৃতি, কৃষ্টি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আমাদের প্রাণের উৎসব; দুর্গাপুজো। সকলের মাঝে এই পুণ্য ধরণীতে আনন্দময়ীর আবির্ভাবে, সারা বাংলা জুড়ে উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। আজ আমি ভবানীপুর ৭০ পল্লী শীতলা মন্দির, একডালিয়া এভারগ্রিন, সিংহি পার্ক, বালিগঞ্জ কালচারাল, হিন্দুস্থান পার্ক, সমাজসেবী সংঘ, শিবমন্দির দুর্গোৎসব, মুদিয়ালি ক্লাব, ৬৬ পল্লী, বাদামতলা আষাঢ় সংঘ, ত্রিধারা সম্মিলনী, সংঘশ্রী ক্লাব, ফরওয়ার্ড ক্লাব, ৬৪ পল্লী, ২২ পল্লী, বকুলবাগান, প্রিয়নাথ মল্লিক, অবসর, গোলমাঠ, বাটাম ক্লাব, পদ্মপুকুর, চক্রবেড়িয়া সার্বজনীন, স্বাধীন সংঘ, ৭৫ পল্লী, ভবানীপুর ৭৬ পল্লী শীতলা মন্দির, ৬২ পল্লী, ভবানীপুর মুক্তদল-সহ এই মহানগরের আরও বেশকিছু দুর্গাপুজোর শুভ উদ্বোধন করলাম এবং ফাল্গুনী সংঘের দুর্গাপুজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলাম।
ভবানীপুর – চেতলা এলাকার অধিকাংশ পুজোমণ্ডপ আমি প্রতিবছর নিজে ঘুরে দেখি। আজ সেই সৌভাগ্য হয়েছে আমার। সবমিলিয়ে, ৬-৭ ঘণ্টায় প্রায় শতাধিক মাতৃমূর্তি ও প্যান্ডেল দেখার সৌভাগ্য হয়েছে আজ।
এরই পাশাপাশি কালীঘাট অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা কেন্দ্রের নতুন ভবন এবং ২৯টি দ্বিচক্রবিশিষ্ট অগ্নিনির্বাপক গাড়ির শুভ উদ্বোধন করলাম। মায়ের পুণ্যাশিস বাংলাবাসীর জীবনে বয়ে আনুক আনন্দধারা। মায়ের আশীর্বাদে পরাজিত হোক সকল হিংসা-বিদ্বেষ; জয় হোক মানবতার। রঙিন ও সুন্দর হোক পুজোর মুহূর্তগুলো – মায়ের চরণে এই প্রার্থনা আমার।

Be the first to comment