রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি? তাকিয়ে সব মহল

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :
দীর্ঘ দু বছরের বেশি চলা রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধ এবার শেষ হতে চলেছে?? এমনই আশায় আছে এখন সারা বিশ্ব।
দুই দেশের যুদ্ধবিরতি, শান্তি প্রক্রিয়ায় এবার মধ্যস্থতা করছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প, এমনটাই খবর মিলেছে। সূত্রের খবর, পূর্ব ডনবাস অঞ্চল রাশিয়াকে হস্তান্তর করবে ইউক্রেন। ট্রাম্প সমর্থিত ২৮ দফা শান্তি পরিকল্পনার অন্যতম এই চুক্তি মানতে রাজি হয়েছে ইউক্রেন। এই ছাড়া কিয়েভ তাদের সেনা বাহিনী ছয় লক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতেও রাজি । ন্যাটো সেনাও ওই দেশে মোতায়েন করা হবে না৷ তবে ইউক্রেনকে সুরক্ষা দিতে ইউরোপীয় যুদ্ধ বিমান পোল্যান্ডে রাখা হবে।
রাশিয়া কে জি ৮ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত করা হবে। হোয়াইট হাউস মনে করে উভয় দেশের পক্ষেই এই সব পরিকল্পনা ভাল। উভয় পক্ষই এতে সম্মত হলে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা আছে।
এই সূত্রে প্রকাশ, মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ প্রায় এক মাস ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে এই সব প্রস্তাব ও পরিকল্পনা নিয়ে লাগাতার কথা বলেছেন।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির জেলেনস্কি খুব শীঘ্রই এই সব নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলবেন।এই শান্তি চুক্তি তাঁদের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে হবে বলে তাঁর আশা। রাশিয়ার সঙ্গে এই দীর্ঘ যুদ্ধের ইতি হলে ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও স্বস্তি পাবে বলে ওয়াকেবহাল মহল মনে করেন।
অন্য দেশের সঙ্গে অভিবাসন, শুল্ক ইত্যাদি বিষয়ে নানা চাপ সৃষ্টি করলেও এবার মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ বন্ধেও সদর্থক ভূমিকা নিয়েছেন। এবার রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হয়ে শান্তি ফিরলে তা নিঃসন্দেহে এক মাইলফলক হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
আমেরিকার প্রস্তাব অনুযায়ী ক্রিমিয়া, লুগানস্ক, ডোনেটস্ক কে রাশিয়ার অধীন হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের প্রায় এক পঞ্চমাংশ এলাকা দখল করে রেখেছে। দিনের পর দিন যুদ্ধর ফলে যা বিধ্বস্ত। ইউক্রেনের আশা, কূটনৈতিক পদক্ষেপে নিজেদের এলাকা ফিরে পাবে তারা।
শান্তি র লক্ষ্যে রাশিয়ার ওপর থেকেও সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে। এর জন্য বেশ কিছু শর্ত থাকবে, এর মধ্যে আছে, রাশিয়া প্রতিবেশি দেশগুলিকে আক্রমণ করবে না, ন্যাটোকেও আর প্রসারিত করা হবে না।
আপাতত এই শান্তি চুক্তির দিকে তাকিয়ে সারা বিশ্ব।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*