শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় আগামী ১৭ নভেম্বর

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক : 
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন নিয়ে মামলার রায় আগামী ১৭ নভেম্বর দেওয়া হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে ওই আন্দোলন চলাকালীন মানবতাবিরোধী পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কবে এই রায়দান হবে তা নিয়ে আজ ঘোষণার প্রেক্ষিতে আওয়ামী লিগ ঢাকা লকডাউনের ডাক দিয়েছে। তা প্রতিরোধ করতে ব্যাপক নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছে ঢাকা শহরকে। চলছে কঠোর টহলদারি ও নজরদারি। এই কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশের বহু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের খবরও আসছে।
শেখ হাসিনা-সহ এই মামলায় অন্য দুই অভিযুক্ত হলেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও পুলিশের প্রাক্তন ডি জি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন।
শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান দেশের বাইরে আছেন।প্রাক্তন পুলিশকর্তা আল মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আরও সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।
বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল এই অপরাধের বিচার করছেন। যাকে ক্যাঙারু কোর্ট বলে ইতিমধ্যে কটাক্ষ করেছেন আওয়ামী লিগের শীর্ষ নেতারা।
জুলাই আন্দোলনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দায়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতা বিরোধিতা ইত্যাদি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে ভারতে থাকা শেখ হাসিনা এখানকার প্রচার মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ায় রুষ্ট বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন।

গতকালই এই বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতর ঢাকাস্থিত ভারতের ডেপুটি হাই কমিশনার পবন বাদেহকে তলব করেছিল। ভারতের মূল ধারার প্রচার মাধ্যমে শেখ হাসিনা সাক্ষাৎ কারও মত বিনিময় নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন বলে জানা যায়।
আজ দুপুরে বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বলে জানা যায়।
ভারত সরকার বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি র ওপর নজর রাখছে বলে সূত্রের খবর।
ইতিমধ্যে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, রাজনৈতিকভাবে তাঁদের শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও তা অত সহজ কাজ নয়। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে তাঁদের স্থান চিরন্তন। গণতান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশে নির্বাচন করার জন্য তাঁরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। বর্তমান সরকার নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় আসেনি। তাঁর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লিগ-কে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা পরবর্তী সরকারকে বৈধতার প্রশ্নে ফেলবে বলে তিনি জোরের সঙ্গে জানান।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে আওয়ামী লিগ-কে নিষিদ্ধ করে তাদের নির্বাচনে লড়ার অধিকারও ওই দেশের নির্বাচন কমিশন কেড়ে নিয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*