রোজদিন ডেস্ক : দীর্ঘ কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর বীরভূমের মুরারই এর পাইকর গ্রামের চিলতে ঘরে আজ একটু হলে ও খুশির হাওয়া!! দীর্ঘ আইনি লড়াই এর পর বাংলাদেশের আদালতে তাঁদের অন্তসত্ত্বা কন্যা সোনালি খাতুন, তাঁর পরিবার আজ জামিন পেয়েছেন। তাঁদের সঙ্গে জামিন পেয়েছেন সুইটি বিবির পরিবারও। এখন কবে তাঁরা দেশে ফিরবেন তার অপেক্ষায় আছেন অসহায় দরিদ্র পরিবারগুলি।
প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগে কোন ও নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দিল্লি পুলিশ হত দরিদ্র সোনালি খাতুন ও সুইটি বিবির পরিবারকে রাতারাতি বাংলাদেশি তকমা দিয়ে ওই দেশে পাঠিয়ে দেয়। তাঁরা দিল্লিতে রুজির সন্ধানে গিয়ে কোন রকমে দিন গুজরান করতেন।
দীর্ঘদিন কন্যার খোঁজ না পেয়ে সোনালি খাতুনের বাবা বাবু শেখ আদালতে র দ্বারস্থ হন। কলকাতা উচ্চ আদালত তাঁদের ফেরানোর ব্যবস্থা করতে কেন্দ্র কে নির্দেশ দেয়। তা না মেনে কেন্দ্র শীর্ষ আদালতে যায়। সেখানে ও উচ্চ আদালতের রায় বহাল রেখে অসহায় এই দরিদ্র মানুষদের ফেরানোর নির্দেশ দেয়। কেন তাঁদের এইভাবে বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালতও। অতি সম্প্রতি সোনালির বাবা মার ২০০২, এর ভোটার তালিকায় নামও দেখা গেছে। তাঁরা যে এখানকারই মানুষ তার প্রমাণও আছে।
সূত্রের খবর, আজ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের
আদালত সোনালি ও সুইটি বিবির পরিবারকে জামিন মঞ্জুর করেছে। এখন কবে তাঁরা দেশে ফিরবেন তা নিয়ে উৎকন্ঠিত পরিবার।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভংকর সরকার বাংলাদেশের আদালতে সোনালি বিবি সহ অন্যদের জামিন মেলার পর তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি করেন। দরিদ্র এই পরিবারগুলির পড়শি দেশে জোর করে পাঠিয়ে দুর্দশার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেন। কেন্দ্র এখনও এই নিয়ে উদাসীন বলে অভিযোগ করেন। যে তৎপরতার সঙ্গে ওঁদের বাংলাদেশে পাঠানো হয়, সেই ভাবে নিজেদের ভুল শুধরে ওঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি করেন শুভংকর সরকার।

Be the first to comment