রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে এসআইআর নিয়ে শীর্ষ আদালতের রায়ে রাজনৈতিক তরজা আজ তুঙ্গে ওঠে। শীর্ষ আদালত এসআইআর নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন করার জন্য তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে।
শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এই রায়কে তাদের জয় বলে দাবি করেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার এই রায়কে রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থার বিপর্যয়ের প্রতিফলন বলে মনে করেন।
প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী একে রাজ্যের লজ্জা বলে মন্তব্য করেছেন।
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, রাজ্যের বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছিল। তথ্যগত অসঙ্গতির নামে লক্ষ লক্ষ মানুষকে লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে রাজ্যের মানুষের লড়াইকে শীর্ষ আদালত মান্যতা দিয়েছে বলে তিনি জানান। কুণাল ঘোষের দাবি, মমতা ব্যানার্জি, অভিষেক ব্যানার্জি যা চেয়েছিলেন, তাই হয়েছে, নির্বাচন কমিশন না, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরাই বিষয়টি দেখবেন।
বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাহুল সিনহা প্রমুখ এসআইআর নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকায় শীর্ষ আদালতের অসন্তোষ এর কথা বলেন। তাঁরাও চান সব বৈধ ভোটারের নাম থাকুক৷, অবৈধরা বাদ যাক।
প্রদেশ,কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার মনে করেন, ইআরও, এইআরওদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতায় বহিরাগত হস্তক্ষেপ হয়েছে, একদিকে রাজ্য সরকার, অন্যদিকে কমিশন!! এখন বিচার বিভাগীয় তত্বাবধানই হয়ত একমাত্র সমাধান বলে তিনি মনে করেন।
সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম রাজ্য ও কমিশন উভয়কেই নিশানা করে বলেন, কমিশনের ব্যর্থতা এতে স্পষ্ট। একই কথা বলেছেন সুজন চক্রবর্তীও।
এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক তরজায় সাধারণ মানুষও চিন্তিত। তাঁদের একটিই চিন্তা, তালিকায় নাম থাকবে তো!!

Be the first to comment