রোজদিন ডেস্ক : ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে কলকাতা পুলিশের অন্দরে চূড়ান্ত তৎপরতা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যত ঢেলে সাজানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় তিন থেকে চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে ব্রিগেড ও সংলগ্ন এলাকায়। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি করবেন। অতিরিক্ত কমিশনার, যুগ্ম কমিশনার এবং ডিসি পদমর্যাদার কর্তাদেরও আলাদা ভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্রিগেড ময়দান এবং আশপাশের এলাকা একাধিক সেক্টরে ভাগ করে নজরদারি চালানো হবে। প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে থাকবেন একজন করে উচ্চপদস্থ আধিকারিক। নজরদারির জন্য আশপাশের বহুতল ভবনগুলিকেও ব্যবহার করা হবে। আকাশপথেও চলবে নজরদারি। যদিও ব্রিগেড এলাকা ‘নো-ফ্লাই জ়োন’ হওয়ায় সেখানে ড্রোন ব্যবহার করা হবে না। নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনীও। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভিভিআইপি মুভমেন্ট, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং অ্যান্টি-স্যাবোটাজ তল্লাশি, সব ক্ষেত্রেই একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নয়, রবীন্দ্রজয়ন্তীর আবহকে মাথায় রেখে সাংস্কৃতিক আয়োজনেরও পরিকল্পনা করছে বিজেপি। মূল মঞ্চের পাশাপাশি আলাদা সাংস্কৃতিক মঞ্চ তৈরির ভাবনাও রয়েছে। ভিভিআইপি অতিথিদের জন্য মূল মঞ্চে বিশেষ আসন থাকবে। পাশাপাশি গোটা ব্রিগেড জুড়েই চেয়ার পেতে বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দলীয় সূত্রে খবর, ব্রিগেডে ভরাতে প্রত্যেক নবনির্বাচিত বিধায়ককে অন্তত এক হাজার কর্মী-সমর্থক আনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। শুধু জয়ী আসন নয়, যেখানে বিজেপি হেরেছে, সেই সব কেন্দ্র থেকেও কর্মী-সমর্থকদের আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সংগঠনগুলিকে নিজেদের মতো করে জমায়েতের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

Be the first to comment