রোজদিন ডেস্ক :
তারাপীঠের হোটেলে (Tarapith Hotel Fire) আজ বিধ্বংসী আগুনে নিহতদের সংখ্যা বেড়ে হল ৯। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মেঘালয়ের এক পরিবারের দুই শিশু সহ পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্রের খবর, মেঘালয়ের শিববাড়ি গ্রাম থেকে তারাপীঠে পুজো দিতে এসেছিলেন রাজেন্দ্রনাথ ও তাঁর পরিবার। তাঁরা ছাড়া আলিপুরদুয়ারের তিনজন কমল রায়, অমিত পাল ও সুবীর সাহা ও এই অগ্নিকান্ডে প্রাণ হারান।
তারাপীঠ থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বের এই হোটেলের মালিক কল্যাণ পাল গ্রেফতার হয়েছেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গভীর শোক প্রকাশ করে সমাজ মাধ্যমে বাংলায় বার্তা দেন। বলেন, “বীরভূমের অগ্নিকান্ডের প্রাণহানির ঘটনায় আমি মর্মাহত। যাঁরা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের সমবেদনা জানাই৷ আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, এই কামনা করি৷ ক্ষতিগ্রস্ত দের স্থানীয় প্রশাসন সহায়তা করছে।”
এই ঘটনায় তারাপীঠে এখন গভীর বিষাদ। প্রশাসন সব হোটেল, গেস্ট হাউস, হোম স্টে ইত্যাদির স্থায়ী অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ ইত্যাদি খতিয়ে দেখছেন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় গভীর শোক ব্যক্ত করেন। বলেন, এই ঘটনায় কেউ দোষী হলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। তিনি নিহতদের পরিবারগুলিকে গভীর সমবেদনা জানিয়ে পরিবার প্রতি আর্থিক সহায়তার কথা জানান।
ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা ক্ষুব্ধ ভাবে বলেন, টাকা তোলা ছাড়া তারাপীঠ -রামপুরহাট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কোন কাজ করেনি।
রাজ্য সরকার এই আগুনের কারণ খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

Be the first to comment