রোজদিন ডেস্ক : স্বাধীনতা দিবসে দেশের ঐতিহাসিক লালকেল্লার অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকায় রাহুল গান্ধীকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েও তিনি প্রধান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন না। তবে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ইন্দিরা ভবনে আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি।
শুধু রাহুলই নন, কংগ্রেস সভাপতি ও রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও লালকেল্লায় যাননি। দু’জনই দলীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং সেখান থেকেই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন।
লালকেল্লার সরকারি অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার জন্য কংগ্রেস সাংসদ ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ শানাল বিজেপি। শুক্রবার দলীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা অভিযোগ করেন, এই অনুপস্থিতি জাতি ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি ‘অপমান’ এবং সংবিধান বিরোধী আচরণ।
পুনাওয়ালা বলেন, “আজ ১৫ আগস্ট, আমাদের স্বাধীনতার দিন। এটি কোনও ব্যক্তির জন্মদিন নয়, কোনও একক দলের কর্মসূচি নয়। অথচ কংগ্রেস প্রমাণ করে দিল, তারা আর ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস’ নয়, বরং ‘ইসলামাবাদ ন্যাশনাল কংগ্রেস’ অথবা ‘ইটালিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস’।”
তিনি আরও বলেন, এই আচরণ শহীদ, স্বাধীনতা সংগ্রামী, সংবিধান ও দেশের সামরিক অভিযানের প্রতি অবমাননা। “রাহুল গান্ধী জাতিকে অসম্মান করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালতও বলেছে, তিনি ভারতীয়ের মতো কথা বলেন না। মোদী ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে, রাহুলজী, আপনি দেশকেই আক্রমণ করতে শুরু করেছেন।”
অন্যদিকে, রাহুল গান্ধী এদিন দিল্লির ইন্দিরা ভবনে কংগ্রেস কর্মী ও নেতাদের সঙ্গে পতাকা উত্তোলন কর্মসূচিতে যোগ দেন। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। বৃষ্টির মধ্যেও রাহুল গান্ধী কর্মসূচিতে অংশ নেন।

Be the first to comment