রোজদিন ডেস্ক : দার্জিলিং পাহাড়ের সমস্যা মেটাতে কেন্দ্র তাঁকে মধ্যস্থতাকারী নিযুক্ত করেছে। যার তীব্র প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে একরাশ ক্ষোভ ও উগরে দিয়েছিলেন। যদিও কেন্দ্র এতে সাড়া দেয়নি।
রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে মধ্যস্থতাকারী পঙ্কজ কুমার সিং-এর আসা নিয়ে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে শীতল পাহাড়।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রের প্রতিনিধি শ্রী সিং-কে কালিম্পং অতিথি আবাসে থাকার অনুমতি দিয়েও তা বাতিল করা হয়। যা নিয়ে তেতে উঠেছে পাহাড়ের রাজনৈতিক বাতাবরণ। বিজেপি, সিপিআরএম, জিএনএলএফ-সহ একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তাঁর কথা হলেও জিটিএ-র প্রধান অনীত থাপা যাননি।
পাহাড়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তার অভিযোগ, সরকার পঙ্কজ কুমার সিং-এর সঙ্গে সহযোগিতা করছে না।
পালটা অনীত থাপার বক্তব্য, বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারে গোর্খাল্যান্ডের উল্লেখ থাকলে তিনি পাহাড়ের সাংসদকে নিয়ে মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে কথা বলতে যাবেন। এই সবই বিজেপির রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে তিনি তোপ দাগেন।
রাজ্যের শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএম, কংগ্রেস ইত্যাদি দলও মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকে ডাক পাননি বলে জানা গেছে। যা নিয়ে বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে প্রাক্তন বিধায়ক হরকা বাহাদুর ছেত্রী দাবি তুলেছেন, পাহাড়ে গোর্খাল্যান্ড না হলে তা সিকিমের সঙ্গে যুক্ত করা হোক বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হক। যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি পাহাড়ে বিভেদ, বিভাজনের রাজনীতিতে শান দিতে চায় বলে শাসক দলের অভিযোগ।

Be the first to comment