ফুটবলে কিক মেরে ডুরান্ড কাপের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- পরপর দু’বার ফুটবলে কিক মেরে ডুরান্ড কাপের সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার বিকেলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে তিনি উদ্বোধন করেন শতাব্দীপ্রাচীন টুর্নামেন্টের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শেষে ম্যাচ শুরুর ঠিক আগে মাঠে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। পরপর দু’বার ফুটবলে কিক মারেন তিনি। রাজ্যের একঝাঁক মন্ত্রীও হাজির ছিলেন বুধবারের যুবভারতীতে।
দু’বছর আগেও তিনি বলে কিক মেরে ডুরান্ডের উদ্বোধন করেছেন। গতবছর সরকারি কাজে দিল্লিতে থাকায় উদ্বোধনে আসতে পারেননি তিনি। তবে এবার মাঠে এলেন মুখ্যমন্ত্রী। ফুটবলে প্রথম শট মারলেন। কয়েক মুহূর্ত পরে দ্বিতীয়বার ফুটবলে শট মারেন। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি এদিন মাঠে ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারিরা। এছাড়াও ছিলেন সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের পদাধিকারীরা।
এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন ছৌ নৃত্যশিল্পীরা। অনুষ্ঠানের সূচি তৈরির ক্ষেত্রে স্থানীয় সংস্কৃতির উপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন আয়োজকরা। সেই সূত্রেই বাংলার বাউল সংগীতও দেখা যায় ডুরান্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। এছাড়াও সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার পাইলটরা যুবভারতীর উপর ‘এয়ার শো’ করেন। সেই সঙ্গে গোর্খা রেজিমেন্টের ‘কুকরি শো’ থেকে শুরু করে শিখ রেজিমেন্টের ‘ভাংড়া’। ছিল মার্শাল আর্টের শো। বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে ইস্টবেঙ্গল এবং সাউথ ইউনাইটেড।
বুধবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে ইস্টবেঙ্গল এবং সাউথ ইউনাইটেড। বেঙ্গালুরুর অখ্যাত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও পূর্ণশক্তির দল নিয়েই নেমেছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। প্রথমবার লাল-হলুদ জার্সিতে নামলেন মার্তণ্ড রায়না।
এ বছর ডুরান্ডে খেলছে মোট ২৪টি দল। ৬টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে তাদের। আইএসএল থেকে থাকছে ৬টি দল: মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান, জামশেদপুর এফসি, পঞ্জাব এফসি এবং নর্থইস্ট ইউনাইটেড (গত বারের চ্যাম্পিয়ন)।

বিদেশি দল হিসেবে অংশ নিচ্ছে: নেপালের ত্রিভুবন আর্মি, মালয়েশিয়ার সেনা দল। প্রথমবার খেলতে আসছে বেশ কিছু নতুন দল ডায়মন্ড হারবার, আইটিবিপি, লাদাখ ওয়ান, নামধারী এফসি, মালয়েশিয়া আর্মি ও সাউথ ইউনাইটেড।

এ বারের ডুরান্ডে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন পুরস্কার মূল্যে। আগের মতো আর ১.২০ কোটি নয়, এবার চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৩ কোটি টাকা। রানার্স আপ দল পাবে ১.৫ কোটি টাকারও বেশি। এছাড়া কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালিস্ট দলগুলোর জন্যও রয়েছে বাড়তি অর্থমূল্য। সঙ্গে রয়েছে আকর্ষণীয় ব্যক্তিগত পুরস্কার: সর্বোচ্চ গোলদাতা, সেরা ফুটবলার এবং সেরা গোলরক্ষককে দেওয়া হবে একটি করে এসইউভি গাড়ি।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*