Education Amendment Bill, উত্তাল বিধানসভা 

Spread the love

রোজদিন ডেস্ক :

বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী বিল (Education Amendment Bill) নিয়ে আজ বিধানসভা উত্তাল হয়ে ওঠে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর নিজস্ব ভঙ্গিতে ইঙ্গিত দেন, যাদবপুর সহ রাজ্যের সাবেক বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অধ্যাপক, শিক্ষা কর্মীদের অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করা হবে। কটাক্ষের সুরে বলেন, রাজ্যের ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হবে।

তীব্র ভঙ্গিতে বলেন, যারা টুকরে দেঙ্গে লেখেন, তাদের তাঁরাই টুকরো করে দেবেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যে তাঁর মূল নিশানা, তার পরিস্কার ইঙ্গিত মেলে।

গত সোমবার মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পর আজই তড়িঘড়ি এই বিল আসায় বিরোধী একাধিক বিধায়ক ভাল করে তা পড়া হয় নি বলে জানান।

মুখ্যমন্ত্রী আজ কার্যত বিধানসভায় বামপন্থী, বিশেষত সিপিএমের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তীব্র কন্ঠে বলেন, ওঁরা দুর্গোৎসব বলেন না, বলেন শারদোৎসব! হুঙ্কারের সুরে বলেন, তিনি পুজো কমিটিগুলিকে বলে দেবেন, দুর্গা পুজো না লিখে শারদোৎসব লিখলে তাদের স্টল করার অনুমতি যেন না দেওয়া হয়।

ভবানীপুরে যারা অন্য রাজ্যের সাধুর (পড়ুন বাগেশ্বর বাবা!) ছবি পুড়িয়েছেন, তাঁদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, অন্য একাধিক রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলির সংস্থান আছে। এখানেও তা কার্যকর করা হবে। তথাকথিত বামপন্থীদের জামা পরে গেরুয়া ধারীদের কটাক্ষ করা চলবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন। টিপ্পনীর সুরে বলেন, দীর্ঘদিন এক জায়গায় কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষা কর্মীরা এবার অন্য নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করুন।

হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে কিষাণজি জিন্দাবাদ, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি, দেশকে টুকরো করা ইত্যাদি লেখা যাবে না। যারা গেরুয়ার বিরুদ্ধে বলেন, গেরুয়া রা তাদের কি করতে পারে তা দেখিয়ে দেবেন।

বামেদের পাশে তৃণমূলকেও আক্রমণ শানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, তুষ্টিকরণের জন্যই এখন ওদের এই অবস্থা! এখন দলে চারটি ভাগ বলে তীব্র কটাক্ষে বেঁধেন।

ঋতব্রত শিবিরের প্রসূন ব্যানার্জি, আখরুজ্জামান প্রমুখ বিলের ওপর বক্তব্য রাখেন। আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকী, সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এই বিলের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য রাজনৈতিক কিনা প্রশ্ন তোলেন সিপিএম বিধায়ক।

তৃণমূলের আলিফা আহমেদ বিল পড়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় মেলেনি জানিয়ে এর প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সংশয় ব্যক্ত করেন।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*