রোজদিন ডেস্ক: সল্টলেকের পাশে দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলায় রাজগঞ্জের প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মণকে গ্রেফতার করতেই হবে। কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন বিডিওকে গ্রেফতারের পর কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তাও রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। রাজ্যকে এমনই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভিঠালরাও ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চ। তিন সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও অভিযুক্ত বিডিও আত্মসমর্পণ না করায় তার ঔদ্ধত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। একই সঙ্গে, সিআইডির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রশান্ত বর্মনের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান বিচারপতি ঘুগে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট বলার পরেও আত্মসমর্পণ করেননি, উনি তো খুব প্রভাবশালী! প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, এই বিডিও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে, নাকি চাকরি থেকে তাড়ানো হয়েছে? একজন পলাতক অভিযুক্ত কোষাগার থেকে বেতন পাচ্ছে, অথচ পুলিশ তাঁকে ধরতে পারছে না এটা কীভাবে হতে পারে?
গত বছর ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদ থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ করে নিউটাউনে তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তাকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় রাজগঞ্জের প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। কিছুদিন আগে, নিউটাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে, পথচারীকে ধাক্কা মারার ঘটনায় গ্রেফতার করা প্রশান্ত বর্মণকে। যদিও জামিন পেয়ে যান তিনি।

Be the first to comment