রোজদিন ডেস্ক : অবশেষে সংঘর্ষ বিরতি ভারত ও পাকিস্তানের। শনিবার দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস-এর (DGMO) কথা হয়েছে বলে জানালেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে আপাতত সংঘর্ষ বিরতিতে সিলমোহর। শনিবার বিকেল পাঁচটা থেকে সংঘর্ষবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। ১২ মে পরবর্তী আলোচনা।
এর ঠিক আগেই ভারত-পাকিস্তানের তীব্র সংঘাতের আবহে বড় দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভারত ও পাকিস্তান সংঘাত কমাতে এবং পুরোদস্তর সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে দাবি ট্রাম্পের।
২২ এপ্রিল পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করে ভারত। তারপরই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। পাল্টা প্রত্যাঘাত স্বরূপ গত মঙ্গলবার পাক অধীকৃত কাশ্মীরে ঢুকে নয় জঙ্গি ঘাঁটি দুরমুশ করে ভারতীয় সেনা। শুরু হয় আক্রমণ, প্রতিরোধ ও পাল্টা আক্রমণ। কয়েকদিন ধরে চলা এই টানা সংঘাত এবং বাড়তে থাকা উত্তেজনা শিথিল করতে শনিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হল। সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দুই দেশের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই এই সমঝোতায় পৌঁছনো সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশন্স (ডিজিএমও) ভারতের ডিজিএমও-কে ফোন করেন। সেই ফোনালাপে দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানায়। সিদ্ধান্ত হয়, শনিবার বিকেল ৫টা থেকে স্থল, আকাশ ও সমুদ্র—সব ক্ষেত্রেই সামরিক অভিযান ও গুলি চালানো সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হবে। আগামী ১২ মে ফের দুই দেশের ডিজিএমও-র মধ্যে আলোচনা হবে।
India and Pakistan have today worked out an understanding on stoppage of firing and military action.
India has consistently maintained a firm and uncompromising stance against terrorism in all its forms and manifestations. It will continue to do so.
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) May 10, 2025
অন্যদিকে, শনিবার বিক্রম মিস্রির সাংবাদিক বৈঠকের পরেই এক্স হ্যান্ডলে বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি লিখেছেন, ‘ভারত ও পাকিস্তান আজ সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করার জন্য বোঝাপড়া করেছে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত সবসময় কড়া পদক্ষেপ করেছে। সেটা ভবিষ্যতেও করবে।’

Be the first to comment