রোজদিন ডেস্ক, কলকাতা:- এ রাজ্যে ভোট কৌশলী IPAC মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, এমনটাই দাবী জানালো বঙ্গ বিজেপি। এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয় যে, “আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্থির করার জন্য একটি বহিরাগত বেসরকারি সংগঠন, আই-প্যাক (I-PAC), সক্রিয়ভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। বিশ্বস্ত গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই সংস্থা কিছু বিক্রি হয়ে যাওয়া সাংবাদিকদের মদতে ভুয়ো ভিডিও বানিয়ে রাজ্যের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যাতে একটি মিথ্যা বিবরণকে হাতিয়ার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করা যায়।”
তারা আরোও বলে, “এই ষড়যন্ত্র নতুন নয়। কিছুদিন আগেই পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকে অপমান করার ঘৃণ্য চেষ্টায় আই-প্যাক জড়িয়ে ছিল। আজ তারা আবারও একই ফর্মুলায় নেমেছে-চরিত্রহনন, মিথ্যা প্রচার, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ। কিন্তু সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন ,আই-প্যাক কে? তাদের আইনত কোন ক্ষমতা আছে? তারা কোন সংবিধানিক অবস্থানে আছে যে পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিতে পারবে?”
সেখানে বলা হয়, “তৃণমূলের নেতামন্ত্রীরা চাইলে আই-প্যাকের সামনে মাথা নত করুক -সেটা তাদের দলীয় বিষয়। কে কোন পদে বসবে, কখন মুখ্যমন্ত্রী কথা বলবেন বা চুপ থাকবেন -সে সব ঠিক করুক আই-প্যাক, সেটি তৃণমূলের ঘরের সমস্যা। কিন্তু যখন কোনও সাংবিধানিক বা আইনত স্বীকৃতিহীন বেসরকারি সংস্থা প্রশাসনের মাথায় চড়ে বসে, পুলিশের কাজকর্মে নাক গলায়, নীতি নির্ধারণে হস্তক্ষেপ করে -তখন সেটি সরাসরি গণতন্ত্রের উপর বর্বর আঘাত।”
বলা হয়, “এটা প্রশাসন চালানো নয় -এটা গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করার স্পষ্ট ষড়যন্ত্র। এই বিষয়ে অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র তদন্ত জরুরি । বাংলার জনগণের জানার অধিকার আছে – কে এই বহিরাগত সংস্থাকে এত ক্ষমতা দিয়েছে? কে বা কারা তৃণমূলের ছত্রছায়ায় এই বিপজ্জনক খেলায় অংশ নিচ্ছে? এই রাজ্য কারও ব্যক্তিগত মালিকানা নয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন একটি রাজনৈতিক এজেন্সির পাপেটে পরিণত হতে পারে না -এটা বাংলার মানুষ কোনওদিন মেনে নেবে না।”

Be the first to comment