রোজদিন ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদী পড়ুয়াদের এবার “বেয়াদপ ” তকমা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ বিকেলে যাদবপুরে
” দশ হাজার কন্ঠে বন্দে মাতরম ” অনুষ্ঠানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া দের নিশানা করে একের পর এক তোপ দাগেন তিনি। প্রাক্তন বামফ্রন্ট, তৃণমূল সরকার কেও এক হাত নেন।
তীব্র, তীক্ষ্ণ কণ্ঠে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া দের একাংশকে ” বেয়াদপ “তকমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলেন, এবার নয় ওঁরা থাকবেন নয় রাষ্ট্র বাদীরা! ওঁরা নিট নিয়ে আন্দোলনে ও দেশকে নিয়ে ধ্বনি দেন না। বলেন,কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি! অপারেশন সিঁদুরের সময় পথে নেমে বলেন,যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই!!
বামফ্রন্ট সরকার ৩৪ বছর, তৃণমূল সরকার নিজের স্বার্থে ওঁদের মদত দিয়েছে। কিন্তু এবার শেষ পর্যায়ে এসেছে বলে তিনি তোপ দাগেন।
বামপন্থীদের তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাদবপুরে দীর্ঘ দিন বিদেশি প্রভাব যুক্ত কমিউনিস্ট দের রাজত্ব ছিল, যাঁদের বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি কোনদিন পাওয়া যাবে না। তাঁরা ই ওখানকার পড়ুয়া দের স্বাধীনতা দিবস, সাধারণ তন্ত্র দিবস,সনাতন সংস্কৃতি, ভারতীয় সংস্কৃতি ইত্যাদি থেকেও বিচ্যুত করেছেন।
প্রাক্তন সরকারের আমলে বিরোধী নেতা হিসাবে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে তাঁর গাড়ির ওপর উঠে কয়েকজন তাঁকে গো ব্যাক বলতে আসেন৷ তাঁরা মাওবাদী ছিলেন।
ওখানকার পড়ুয়া দের বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,কিসের আজাদি চান ওঁরা? মদ,গাঁজা,ড্রাগ নেওয়ার আজাদি? টুকরে টুকরে গ্যাং এর আজাদি?
হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন,ড্রোন উড়িয়ে ওখানে ভিতরে কি হচ্ছে সব খবর নেবেন। তিনি পুলিশ মন্ত্রী। জঞ্জাল সাফাই করতে জানেন।
আজ সংবাদ মাধ্যমের একাংশকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা কে গেরুয়া সন্ত্রাস লেখা হয়েছে। গেরুয়া কি ওঁরা জানেন বলে মন্তব্য করেন।

Be the first to comment