রোজদিন ডেস্ক : জুনিয়র চিকিৎসকদের বড় অংশ কি প্রতিহিংসার শিকার? এই প্রশ্নে সরগরম স্বাস্থ্য মহল। সদ্য চিকিৎসক হওয়া এক গুচ্ছ তরুণ-তরুণী-কে জেলায় বিভিন্ন হাসপাতালে পোস্টিং দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।
আবার এমন অনেককে সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কোন রকম কাউন্সিলিং ছাড়াই। এই সব নিয়ে ক্ষুব্ধ সিনিয়র চিকিৎসকদের বড় অংশ। তাঁদের মতে, পুরো বিষয়টিই অনৈতিক, স্বজনপোষণের নিদর্শন।
যে জুনিয়র চিকিৎসকরা প্রথমেই জেলায় পোস্টিং পেলেন, তাঁদের উচ্চ শিক্ষায় কার্যত ইতি পড়ে গেল বলে বিশিষ্ট চিকিৎসক মানস গুমটা জানান। কারণ জাতীয় মেডিকেল কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী জুনিয়র চিকিৎসকদের অন্তত এক বছর মেডিকেল কলেজগুলিতে ইন্টার্নশিপ করতে হয়। তা না করলে পরবর্তী কালে উচ্চশিক্ষায় তাঁরা প্রবেশ করতে পারেন না। প্রথমেই জেলায় চিকিৎসকের দায়িত্ব নিয়ে চলে গেলে, তাঁদের মেডিকেলে উচ্চ শিক্ষার দরজা বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই ছাড়া যেখানে হাউস স্টাফ নিয়োগ ও কাউন্সিলিং ছাড়া হয় না, সেখানে বহু চিকিৎসককে সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক করে পাঠানো হচ্ছে।
সরকারি চিকিৎসকদের সংগঠন এএইচএসডি-র প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মানস গুমটা এই সব নিয়ে উদ্বিগ্ন। স্বাস্থ্য ভবন কি চান প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বলেন, বিনা কাউন্সিলিং এই কাউকে মেডিকেল কলেজে, কাউকে জেলায় পোস্টিং দেওয়া হোল। পুরো প্রক্রিয়াই অস্বচ্ছ।।
জেলায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না দিয়েও বন্ড চিকিৎসকদের সেই দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই অনৈতিক, অস্বচ্ছভাবে চিকিৎসকদের নিয়োগের নেপথ্যে স্বাস্থ্য ভবন জুনিয়র চিকিৎসকদের ওপর প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে কিনা সেই প্রশ্ন উঠেছে বলে উদ্বেগ ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ভবন এক লপ্তে ৯৩০ জন জুনিয়র চিকিৎসকদের পোস্টিং তালিকা প্রকাশ করেছে। যা নিয়ে চিকিৎসক মহল বিস্মিত।।
গত বছর অবধি ও জুনিয়র চিকিৎসকদের মেডিকেল কলেজেই পোস্টিং দেওয়া হলেও এবার তার ব্যতিক্রম হল কেন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
ছবি- ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

Be the first to comment