রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে ক্ষমতা দখলকে পাখির চোখ করা প্রধানমন্ত্রী এবার আর জি কর সহ মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা ব্যাপক ভাবে প্রচারের নির্দেশ দিলেন।
এবার নির্বাচনে বুথ ভিত্তিক প্রচার ও একে মজবুত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। রাজ্যে প্রচারে এসে নিজে ছয় গ্যারান্টি দিয়ে গেছিলেন তিনি। এবার নির্বাচনী যুদ্ধে রাজ্যের নারী নিরাপত্তা, শিল্পহীনতা, কাজের অভাব ইত্যাদি নিয়ে কার্যত বাড়ি বাড়ি গিয়ে দলীয় কর্মী দের প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তুলে ধরতে বলেছেন আর জি কর-এর তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস ধর্ষণ, হত্যাকান্ড, কসবা আইন কলেজে ছাত্রী ধর্ষণ সহ অন্যান্য নিগ্রহের কথাও।
সূত্রের খবর, বুথ কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের সব বুথে সর্বশক্তি নিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কেন রাজ্যে শিল্প নেই, কল কারখানা বন্ধ, যুব সমাজের চাকরি নেই, কেন অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে, এর জন্য রাজ্য সরকারের ব্যর্থতাকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানোর ওপর তিনি বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এসআইআরে বিপুল হারে নাম বাদ যাওয়া মতুয়া, নমশুদ্রদের কাছেও যেতে বলেছেন।
বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলা ও যুবদের মাসিক তিন হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার যে ঘোষণা করেছে, এই বার্তা প্রতি বাড়িতে পৌঁছে দিতে বলেছেন। কৃষক, আলু কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে সিন্ডিকেটরাজের বিষয়ও বোঝাতে বলেছেন।
আজ নমো অ্যাপের মাধ্যমে রাজ্যের বাছাই করা পাঁচ বুথ কর্মীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের প্রস্তাব মন দিয়ে শোনেন। এরপর কি করতে হবে তার পরামর্শ দেন। “মেরা বুথ সব সে মজবুত” শীর্ষক এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাছাই করা যে পাঁচ জনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন, তাঁরা হলেন, রীনা দে (কসবা), জুরা কিন্ডো (ফাঁসিদেওয়া), নীলোৎপল ব্যানার্জি (বাঁকুড়া), চন্দন প্রধান (শালবনি) ও রাকেশ সরকার (শান্তিপুর)।
আগামীকাল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা ও জানান। এবারের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন তাঁর কাছেও মর্যাদার লড়াই হয়ে উঠেছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন।

Be the first to comment