প্রতিবেদন: এবার ঘুষ নেওয়া ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার খোদ পুলিশ কনস্টেবল (POLICE CONSTABLE ARREST)। রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা গ্রেফতার করল ঝাড়গ্রাম থানার ওই পুলিশ কনস্টেবলকে। তার সঙ্গে তার আরও তিন সাগরেদ বা দালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার নাম রতন প্রামাণিক। অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে লরি, ট্রাক্টরে করে বেআইনি বালি পাচারে যুক্ত এরা। অনেকদিন ধরেই ওই কনস্টেবল সম্পর্কে অভিযোগ জমা হচ্ছিল। এবার রীতিমতো ফাঁদ পেতে তাকে ধরল পুলিশ। ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েন ওই পুলিশ কনস্টেবল। এর আগে ক্ষমতায় এসেই ঘুষ নেওয়া, তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না বলেই পুলিশ, সরকারি কর্মী, জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর সেটা শুধু মুখের কথা ছিল না, গত একাধিক পুলিশ কর্মীর গ্রেফতারিতে তা প্রমাণিত হয়েছে।
বেআইনি ভাবে বালি পাচারের জন্য লরি ও ট্রাক্টরের থেকে দালাল মারফত ঘুষ নেন ঝাড়গ্রাম থানার এক কনস্টেবল। এই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। অভিযুক্তকে ধরতে ফাঁদ পাতা হয়। দুর্নীতি দমন শাখার কর্তারা বালি ব্যবসায়ী সেজে এক দালালের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম থানায় পৌঁছান। সঙ্গে নিয়ে আসা টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের হাতে তুলে দেন। সেই সময়ই রতনকে হাতেনাতে পাকড়াও করেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। তিন দালালকেও গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ঘুষের ৫ লক্ষ টাকাও। এই চক্র কতদূর বিস্তৃত, তা তদন্ত করে দেখছে দুর্নীতি দমন শাখা।

Be the first to comment