রোজদিন ডেস্ক : রাজ্যে এসআইআর আতঙ্কে মৃতের সংখ্যা আরও একটা বাড়ল। মেয়েকে নিয়ে শনিবার বিষ খেয়েছিলেন ধনিয়াখালির গৃহবধূ আশা সোরেন। এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার দুপুরে মৃত্যু হয় তাঁর। তবে তাঁর মেয়ে স্থিতিশীল। এসআইআর গণনা ফর্ম বাপের বাড়িতে পাননি তিনি।শ্বশুর বাড়িতে বিবাদের জেরে সম্পর্ক নেই। তাই কি হবে সেই চিন্তায় শিশু কন্যাকে নিয়ে বিষ খাইয়ে নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এই গৃহবধূ। হুগলির
ধনিয়াখালির সোমসপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানানদী এলাকার বাসিন্দা ওই পরিবার। এসআইআর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন ২৭ বছরের আশা সোরেন। শনিবার সকালে এই ঘটনার পর ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় আশা ও তার মেয়ে মনিকার। পরে এসএসকেএমে স্থানান্তরিত করা হয়। বিবাহিত হলেও পারিবারিক বিবাদের জেরে গত চার বছর বাপের বাড়িতেই থাকেন তিনি। বাপের বাড়ির সকলেই এসআইআর ফর্ম পেলেও তিনি পাননি। মানসিক অবসাদে গতকাল সকালে ছয় বছরের শিশুকে নিয়ে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। আশার দাদা জানিয়েছেন বোনের বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে ভোট ছিল। এখানে কিছু না থাকায় তার এসআইআর ফর্ম আসেনি। তিনি অনলাইনে বের করতে বলেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে খুব দুশ্চিন্তায় ছিলেন তিনি। আজ শোকগ্রস্ত পরিবারের সাথে দেখা করতে সোমসপুর যান বিধায়ক অসীমা পাত্র। তিনি জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি জানার পরই দুজনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Be the first to comment